ইরানের সীমান্ত এলাকা দখলের পরিকল্পনায় কুর্দি গোষ্ঠীকে ইসরায়েলের সমর্থন
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে হামলা চালিয়ে ইরানি কুর্দি মিলিশিয়াদের সহায়তা করছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে সীমান্তবর্তী কয়েকটি শহর দখলের পরিকল্পনা করছে এসব কুর্দি গোষ্ঠী। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, ইসরায়েল প্রায় এক বছর ধরে ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলে অবস্থান করা ইরানি কুর্দি বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানি কুর্দিরা যদি সীমান্ত অতিক্রম করে ইরানের ভেতরে বিদ্রোহ শুরু করে, তা হলে সেটি “চমৎকার” হবে।
সূত্র অনুযায়ী, কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর প্রাথমিক লক্ষ্য হলো ইরান সীমান্তবর্তী কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শহর দখল করা। এর মধ্যে ওশনাভিয়ে ও পিরানশাহর শহরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ইরাক সীমান্তের পাশে হাজারো যোদ্ধা জড়ো হয়ে সম্ভাব্য অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে, যদিও এ তথ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি রয়টার্স।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব মিলিশিয়া বাহিনীর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫ থেকে ৮ হাজার। তাদের কাছে মূলত হালকা অস্ত্র রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সহায়তা পেলে তারা সীমান্ত অঞ্চলে ইরানের জন্য বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
সূত্রগুলো আরও জানায়, ইরানের ভেতরে থাকা কিছু কুর্দি সদস্য সীমান্ত এলাকায় লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে তথ্য দিচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এর মাধ্যমে ইরানের সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা তৈরি করে দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসকে (IRGC) বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হতে পারে।
অন্যদিকে ইরান ইতোমধ্যে ইরাকের ভেতরে থাকা কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে এবং সতর্ক করেছে যে সীমান্তে কোনো শত্রু শক্তি মোতায়েন করা হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
ইরানি কুর্দি গোষ্ঠীগুলোর লক্ষ্য হলো ভবিষ্যতে ইরানে একটি ফেডারেল কাঠামোর মধ্যে আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা, যা ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের মডেলের মতো। সূত্র: রয়টার্স
বিপি/টিআই
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
নিউ ইয়র্কে হাসপাতাল অবরুদ্ধকালে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ৯ জন গ্রেপ্তার
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি