৪ মে ২০২৬

কঠোর পরিণতির ঘোষণা

‘এখনই চলে যান’: অবৈধ অভিবাসীদের প্রতি ট্রাম্পের জরুরি সতর্কবার্তা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:২১ পিএম
‘এখনই চলে যান’: অবৈধ অভিবাসীদের প্রতি ট্রাম্পের জরুরি সতর্কবার্তা

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

নোমান সাবিত: যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম অবৈধ অভিবাসীদের উদ্দেশে বড় ঘোষণা দিয়ে তাদের দ্রুত স্বেচ্ছা-প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানিয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ববর্তী বক্তব্যের প্রতিধ্বনি করে নোয়েম বলেন, দেশের সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার এবং 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতিমালা বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থেকে প্রশাসন সরে আসবে না।
তিনি জানান, অনথিভুক্ত অভিবাসীরা যদি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে যেতে চান, তাহলে তারা সিবিপি হোম অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন, যা ভবিষ্যতে বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সুযোগ তৈরি করতে পারে।
বহু দেশ ও ভাষায় সম্প্রচারিত হতে যাওয়া একটি জাতীয় বিজ্ঞাপনে নোয়েম অপরাধে জড়িত অনথিভুক্ত অভিবাসীদের উদ্দেশে কঠোর সতর্কবার্তা দেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন আইন ভাঙলে তাদের শনাক্ত করে বহিষ্কার করা হবে। বিজ্ঞাপনটিতে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন অবৈধ অভিবাসন বন্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
নোয়েম প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে সীমান্ত সুরক্ষা জোরদার ও বাইডেন প্রশাসনের প্রবর্তিত অভিবাসন নীতিমালা ভেঙে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, “ধন্যবাদ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প আমাদের সীমান্ত সুরক্ষিত করা এবং আমেরিকা ফার্স্ট নীতি বাস্তবায়নের জন্য। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্পষ্ট বার্তা: আপনি যদি এখানে অবৈধভাবে থাকেন, 'আমরা আপনাকে খুঁজে বের করে বহিষ্কার করব। আপনি আর ফিরতে পারবেন না। তবে আপনি যদি এখনই চলে যান, ভবিষ্যতে ফিরে এসে স্বাধীনতা উপভোগ ও আমেরিকান ড্রিম বাস্তবায়নের সুযোগ পেতে পারেন।'
যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে প্রবেশের চিন্তা করছেন এমন ব্যক্তিদের উদ্দেশে নোয়েম আরও বলেন, 'আপনি যদি অপরাধে জড়িত বিদেশি হয়ে অবৈধভাবে আমেরিকায় আসার কথা ভাবেন, তা মাথায় আনবেন না। এখানে এসে আইন ভাঙলে আমরা আপনাকে খুঁজে বের করব। অপরাধীদের যুক্তরাষ্ট্রে স্বাগত নয়।'
২৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত রয়টার্স জরিপ অনুযায়ী, অধিকাংশ আমেরিকান প্রেসিডেন্টের বহিষ্কার কর্মসূচিকে সমর্থন করলেও বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।
অর্ধেকের বেশি উত্তরদাতা বলেছেন, বহিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনার বর্তমান পদ্ধতি উপযুক্ত নয়। জরিপে দেখা যায়, রিপাবলিকানদের ৯২ শতাংশ বড় ধরনের কঠোর অভিযানের পক্ষে যার মধ্যে আইসিই ব্যবহারের বিষয়টি রয়েছে অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সমর্থন ৩৫ শতাংশ। অংশগ্রহণকারী মার্কিন প্রাপ্তবয়স্কদের সংখ্যাগরিষ্ঠও মনে করেন, ট্রাম্প প্রশাসনের আইসিই ব্যবহারের মাত্রা অতিরিক্ত হয়েছে। আইসিই কর্মকর্তাদের দায়িত্ব অভিবাসন আইন প্রয়োগ ও অনথিভুক্ত অভিবাসীদের বহিষ্কার করা।
ডেমোক্র্যাটদের ৬০ শতাংশের বেশি মনে করেন, সংস্থাটি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করা উচিত।
এই ফলাফল এমন সময় প্রকাশ পেল যখন সেনেট ডেমোক্র্যাটরা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অর্থায়ন পুনরায় চালুর বিল আটকে দেওয়ার পর রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে এনবিসি নিউজ ডিসিশন ডেস্ক পরিচালিত আরেকটি জরিপে দেখা গেছে, ৭২ শতাংশ আমেরিকান আইসিই সংস্কার বা সংস্থাটি বন্ধ করার পক্ষে।
রয়টার্স/ইপসোস জরিপটি ১৮ থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৪,৩৬৮ জনের ওপর পরিচালিত হয় এবং এর ত্রুটির সীমা ছিল প্লাস বা মাইনাস ২ শতাংশ পয়েন্ট।

* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।

বিপি/এসএম

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি