
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: রাশিয়ার স্থলবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওলেগ সালিয়ুকভকে বরখাস্ত করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার তাকে বরখাস্তের কথা জানায় ক্রেমলিন।
প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে ইউক্রেনের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে এই উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে অপসারণ করলেন পুতিন।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৪ সাল থেকে রাশিয়ার স্থলবাহিনীর দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল ওলেগ সালিয়ুকভ। তিনি সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ এবং ইউক্রেনের আক্রমণে তদারকি করেছিলেন। এর আগে চার বছর ধরে জেনারেল স্টাফের উপ-প্রধান ছিলেন তিনি।
এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে, সালিয়ুকভ বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রে বেলোসভের সঙ্গে রেড স্কয়ারে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে বিজয়ের ৮০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিজয় দিবসের সামরিক কুচকাওয়াজ পরিচালনা করেন।
গত বছর থেকে রাশিয়ার আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সামরিক ও প্রতিরক্ষাখাতের এক ডজনেরও বেশি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছে। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত লাভের জন্য বড় প্রকল্প থেকে অর্থ আত্মসাতেরও অভিযোগ রয়েছে।
১৯৯০ সাল থেকে বিভিন্ন শীর্ষ পদে থাকার পর গত বছর পদাবনতি দেওয়া হয় পুতিনের দীর্ঘদিনের মিত্র শোইগুকে। যদিও ক্রেমলিন বলেছে, ইউক্রেনে বিপর্যয়ের পর রাশিয়ার শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের গ্রেফতার এবং বরখাস্ত করা সামরিক প্রতিষ্ঠান শুদ্ধি অভিযানের অংশ নয়।
এদিকে ৭০ বছর বয়সী সালিয়ুকভ সাবেক রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগুর ডেপুটি হবেন। শোইগুকে গত বছর অপসারণ করা হয়েছিল এবং নিরাপত্তা পরিষদের সচিব করা হয়েছিল। ক্রেমলিনের এক ডিক্রিতে এই পদক্ষেপের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রাশিয়া তিন দিনের মধ্যে অপেক্ষাকৃত ছোট সামরিক বাহিনীর দেশ ইউক্রেন দখল করার পরিকল্পনা করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তিন বছর যাবৎ দুদেশের মধ্যে রক্তক্ষয়ী ও ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। এতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।
মূলত তিন বছরেরও বেশি সময় পর শুক্রবার ইস্তাম্বুলে প্রথম সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসতে যাচ্ছে ইউক্রেন ও রাশিয়া। সূত্র: মস্কো টাইমস, দ্য গার্ডিয়ান
[বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
বিপি/টিআই
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]