১১ আগস্ট ২০২৬

ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে ৪ মানবাধিকার সংস্থার মামলা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ০১:৪০ পিএম
ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে ৪ মানবাধিকার সংস্থার মামলা

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে আদালতে লড়াই শুরু করেছে দেশের চারটি শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নিউ ইয়র্কের আদালতে দায়ের করা এই মামলায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জারি করা নিষেধাজ্ঞাকে অসাংবিধানিক বলে দাবি করা হয়েছে।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, ওপেন সোসাইটি ইনস্টিটিউট, আমেরিকান ফ্রেন্ডস সার্ভিস কমিটি এবং সেন্টার ফর কনস্টিটিউশনাল রাইটস নামের এই সংস্থাগুলোর ভাষ্যমতে, ট্রাম্প প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা বিশ্বজুড়ে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য আইসিসির সাথে কাজ করতে পারছেন না। 

বাদীপক্ষের আইনজীবীদের মতে, এই নিষেধাজ্ঞা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার পরিধি লঙ্ঘন করেছে এবং আন্তর্জাতিক ও মার্কিন আইনের পাশাপাশি বাক ও ধর্মের স্বাধীনতাও ক্ষুণ্ণ করছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল—উভয় দেশই আইসিসির সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলার পথ বেছে নেয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন আইসিসির প্রসিকিউটর ও বিচারকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর আগে ফিলিস্তিনিদের অধিকার নিয়ে কাজ করা অন্যান্য সংগঠন এবং তিনজন আইসিসি বিচারকও এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করেছেন।

ট্রাম্পের আইসিসি বিরোধিতার সূত্রপাত তার প্রথম মেয়াদের সময়ই। ২০২০ সালে তিনি একই ধরনের নির্বাহী আদেশ জারি করলেও তা আদালতের রায়ে স্থগিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে ২০২১ সালে বাইডেন প্রশাসন তা বাতিল করে দেয়। তবে বর্তমান প্রশাসন দ্য হেগভিত্তিক এই আদালতকে দুর্বল করতে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে এবং অন্যান্য দেশগুলোকেও আইসিসি ত্যাগ করতে উৎসাহিত করছে। 

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, এই আদালত মার্কিন সার্বভৌমত্ব ও কর্মীদের জন্য হুমকিস্বরূপ। তবে গত জুলাইয়ে ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন যে এই প্রচারণার মূল উদ্দেশ্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও অন্যদের সুরক্ষা প্রদান করা।

সূত্র: রয়টার্স।

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি