না, এখন পর্যন্ত ট্রাম্পের দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েনের নির্দেশের পর ক্রেমলিন বা মেদভেদেভ কেউই প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
তবে রাশিয়ার জ্যেষ্ঠ আইনপ্রণেতা ও পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের কমনওয়েলথ অব ইনডিপেনডেন্ট স্টেটস (সিআইএস) কমিটির উপপ্রধান ভিক্তর ভোদোলাতস্কি বলেছেন, পৃথিবীর মহাসাগরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে অনেক বেশি পারমাণবিক সাবমেরিন মোতায়েন করে রেখেছে রাশিয়া।এই আইনপ্রণেতার দাবি, মার্কিন সাবমেরিনগুলো অনেক আগেই তাঁদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। তাই আলাদাভাবে কোনো জবাব দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
গত মাসে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি পুতিনকে নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন। পুতিনকে নিয়ে হতাশা প্রকাশ করতে গিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমরা দারুণ এক আলোচনা করব। আমি বলব, চমৎকার। আমার মনে হচ্ছে, আমরা একটি চুক্তির কাছাকাছি চলে এসেছি। এরপরই তিনি (পুতিন) কিয়েভে একটা ভবন গুঁড়িয়ে দেবেন।’সম্ভবত ট্রাম্পের ওই মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে শুক্রবার পুতিন বলেন, ‘যে কারও হতাশ হয়ে পড়ার বিষয়ে বলব, সব হতাশাই জন্ম নেয় অতিরিক্ত প্রত্যাশা থেকে। এটা একটা সর্বজনস্বীকৃত সাধারণ নিয়ম।’
কিয়েভের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি বিষয়ে পুতিন বলেন, তিনি ইউক্রেনে একটি স্থায়ী ও স্থিতিশীল শান্তি চান। তবে রাশিয়া দ্রুত এ শান্তি অর্জনে প্রস্তুত কি না, সে বিষয়ে তিনি কোনো ইঙ্গিত দেননি।এর আগে ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের প্রথম মেয়াদে ট্রাম্প কোরীয় উপদ্বীপে দুটি পারমাণবিক সাবমেরিন পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর পরপরই তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উনের সঙ্গে বৈঠক করেন।
তবে ট্রাম্পের এবারের পদক্ষেপ ও ৮ আগস্টের আলটিমেটাম পুতিনের সঙ্গে তাঁর নতুন কোনো বৈঠকে গড়াবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
[বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
বিপি>টিডি