২০ আগস্ট ২০২৬

মুরগি চুরির অপবাদে প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ১

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
মুরগি চুরির অপবাদে প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ১

গিয়াস রনি নোয়াখালী প্রতিনিধি:  নোয়াখালীর সেনবাগে মুরগি চুরির অপবাদ দিয়ে আটচল্লিশ বছর বয়সী এক প্রবাসীর স্ত্রীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী চারজনকে আসামি করে সেনবাগ থানায় মামলা করেছেন। মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে মো.লিংকন (২৭) নামে মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নে পূর্ব শ্যামেরগাঁও  গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার একটি প্রায় ২০ সেকেন্ডের ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয়দের মুঠোফোনে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে এবং আশপাশে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি মুঠোফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন। একপর্যায়ে ওই নারীর হাতে কয়েকটি মুরগি ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
গ্রেপ্তার লিংকন উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের কাজিরখীল গ্রামের ফরাজি বাড়ির মো.মোস্তফার ছেলে।  
এ ঘটনার বিচার চেয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করেন নির্যাতনের শিকার নারী। তিনি অভিযোগ করেন, মুরগি চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে মারধর, নির্যাতন ও শ্লীলতাহানি করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তিনি।
মামলার এজাহারে ভুক্তভোগী উল্লেখ করেন, ভুক্তভোগী নারী পেশায় একজন গৃহিনী। পাশাপাশি বাড়িতে মুরগি ও কোয়েল পাখির কামার দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার স্বামী ও এক ছেলে প্রবাসে থাকেন।  আসামিদের সঙ্গে তার জায়গাজমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কয়েকজন ব্যক্তি তার ঘরে ঢুকে মুঠোফোন কেড়ে নেন এবং জোর করে পাশের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে মুরগি চুরির অভিযোগ তুলে তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে দিবাগত রাত প্রায় ১টা পর্যন্ত মারধর করা হয় বলে অভিযোগ তার।
তবে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি দাবি করেছেন, ওই নারী মুরগি চুরির কথা স্বীকার করেছিলেন এবং তার ঘর থেকে ৪৫টি মুরগি উদ্ধার করে খামারিকে ফেরত দেওয়া হয়।
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, গাছে বেঁধে রাখার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। নারীর লিখিত অভিযোগ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে। মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

আমরা ভবিষ্যতে কেমন বাংলাদেশ সোসাইটি দেখতে চাই!


আমরা ভবিষ্যতে কেমন বাংলাদেশ সোসাইটি দেখতে চাই!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি