৮ আগস্ট ২০২৬

কিশোরের এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে থাইল্যান্ডে প্রাণ গেল ৭ জনের

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ০২:০২ পিএম
কিশোরের এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে থাইল্যান্ডে প্রাণ গেল ৭ জনের

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উপকণ্ঠে একটি বাড়িতে ও স্কুলে ১৪ বছর বয়সি এক কিশোরের এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণে সাতজন নিহত এবং ২৩ জন আহত হয়েছেন

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ননথাবুরির দেবসিরিন স্কুলের ওই ছাত্র প্রথমে তার বাড়িতে নিজের দাদা-দাদিকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর সে স্কুলে গিয়ে আরও পাঁচ শিক্ষককে হত্যা করে এবং পরবর্তীতে নিজেই আত্মহত্যা করে। 

আত্মহত্যার সময়ও বন্দুকধারীর কাছে ৩০টির বেশি গুলি অবশিষ্ট ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। এছাড়া এই ঘটনায় আহতদের মধ্যে নয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় সময় সকাল ১০টার একটু পর এই হামলা শুরু হয়। পুলিশ ও ফরেনসিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলাকারী অত্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে গুলি চালিয়েছিল এবং হামলাটি আগে থেকেই সুপরিকল্পিত ছিল। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট মোটিভ প্রকাশ করেনি, যদিও প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন যে পড়াশোনার চাপের কারণে ওই কিশোর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকতে পারে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী দেবসিরিন স্কুলের এক সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী জানায়, ওই সময় সে তার শিক্ষিকার ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে ছিল এবং কথা বলার মাঝেই হামলাকারী এসে শিক্ষিকাকে গুলি করে। আতঙ্কিত শিক্ষার্থীরা প্রাণ বাঁচাতে স্কুলের প্রাচীর টপকে পালিয়ে যায় এবং অনেকে শ্রেণিকক্ষে লুকিয়ে থেকে রক্ষা পায়। 

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর আশপাশের স্কুলগুলোতে ক্লাস স্থগিত করা হয় এবং কর্তৃপক্ষ রক্তদানের আহ্বান জানায়।

থাইল্যান্ডে অস্ত্র রাখার কঠোর আইন থাকলেও দেশটিতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বেসামরিক নাগরিকদের কাছে ব্যক্তিগত অস্ত্র রাখার হার বেশ বেশি। এই ঘটনার পর দেশটির সরকারের ওপর বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইন আরও কঠোর করার নতুন চাপ সৃষ্টি হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল শোক প্রকাশ করে ঘোষণা দিয়েছেন যে নতুন প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী এখন থেকে শুধুমাত্র দায়িত্ব পালনরত সরকারি কর্মকর্তাদেরই অস্ত্র বহন করার অনুমতি দেওয়া হবে।সূত্র: বিবিসি।

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি