ইন্টারওসেনিক ট্রেন দুর্ঘটনায় শোকার্ত মেক্সিকোবাসী
মিনারা হেলেন: দক্ষিণ মেক্সিকোতে ইন্টারওসেনিক ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে অন্তত ১৩ জন নিহত ও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। এতে প্রশান্ত মহাসাগর ও মেক্সিকো উপসাগরকে সংযোগকারী একটি রেলপথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ওয়াকাসা ও ভেরাক্রুজ রাজ্যকে সংযোগকারী ইন্টারওসেনিক ট্রেনটি রোববার নিজান্দা শহরের কাছে একটি বাঁক অতিক্রম করার সময় লাইনচ্যুত হয়।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক পোস্টে বলেন, মেক্সিকান নৌবাহিনী আমাকে জানিয়েছে যে, দুঃখজনকভাবে ইন্টারওসেনিক ট্রেন দুর্ঘটনায় ১৩ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, মোট ৯৮ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে তিনি নৌবাহিনীর সচিব ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মানবাধিকারবিষয়ক উপসচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন।
রোববার এক্সে দেওয়া এক বার্তায় ওয়াকাসা অঙ্গরাজ্যের গভর্নর সালমন জারা জানান, আহতদের সহায়তায় একাধিক সরকারি সংস্থা ইতোমধ্যে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দুর্ঘটনার সময় ট্রেনটিতে ২৪১ জন যাত্রী ও ৯ জন ক্রু সদস্য ছিলেন।
ইন্টারওসেনিক ট্রেনটি ২০২৩ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেস ম্যানুয়েল লোপেজ ওব্রাডোর উদ্বোধন করেন। এই রেলসেবা দক্ষিণ মেক্সিকোতে ট্রেন যোগাযোগ বাড়ানো এবং প্রশান্ত মহাসাগর ও মেক্সিকো উপসাগরের মাঝের সংকীর্ণ ভূখণ্ড—তেহুয়ান্তেপেকের ইস্থমাস জুড়ে অবকাঠামো উন্নয়নের বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ।
মেক্সিকো সরকার এই ইস্থমাস অঞ্চলকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য একটি কৌশলগত করিডরে রূপান্তর করতে চায়, যেখানে বন্দর ও রেলপথের মাধ্যমে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের সংযোগ স্থাপন করা হবে। বর্তমানে ইন্টারওসেনিক ট্রেনটি প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলের সালিনা ক্রুজ বন্দর থেকে কোয়াতসাকোয়ালকোস পর্যন্ত চলাচল করে, যার মোট দূরত্ব প্রায় ১৮০ মাইল (২৯০ কিলোমিটার)।
(*এই প্রতিবেদনটি বাংলা প্রেসের তৈরি। অনুমতি ছাড়া আমাদের বিষয়বস্তু, ছবি বা সম্প্রচার অন্য কোনো সংবাদমাধ্যমে পুনঃপ্রকাশ সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ)।
বিপি/এসএম
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
গুলির শব্দে হোয়াইট হাউস অবরুদ্ধ, সরিয়ে নেওয়া হলো সংবাদকর্মীদের
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি