৪ মে ২০২৬

দেশে ফিরে গেলেন আইসিইর হাতে আটক টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুমেইসা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:২০ পিএম
দেশে ফিরে গেলেন আইসিইর হাতে আটক টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুমেইসা

টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুমেইসা ওজতুর্ক

নোমান সাবিত: গত বছর মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ সংস্থা (আইসিই)-এর হাতে আটক হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রুমেইসা ওজতুর্ক অবশেষে দেশে ফিরছেন। পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করে নিজ দেশ তুরস্কে ফিরেছেন বলে শুক্রবার তার আইনজীবীরা এ তথ্য জানান।
২০২৫ সালে ছাত্র পত্রিকায় একটি মতামত নিবন্ধ সহ-লেখার কারণে যেখানে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকার সমালোচনা করা হয়েছিল ওজতুর্ককে আইসিই আটক করে।
পরবর্তীতে এক বিচারক তাকে মুক্তি দেন এবং বলেন, তিনি কোনো সহিংস কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন বা সহিংসতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন এমন কোনো প্রমাণ একেবারেই নেই।
এক বিবৃতিতে ওজতুর্ক বলেন, ১৩ বছরের নিরলস অধ্যয়নের পর আমি আমার পিএইচডি সম্পন্ন করতে পেরে গর্বিত এবং নিজের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী দেশে ফিরছি। যুক্তরাষ্ট্র সরকার আমার কাছ থেকে যে সময় কেড়ে নিয়েছে, তা শুধু আমার নয় সেই শিশু ও তরুণদেরও, যাদের পক্ষে আমি জীবন উৎসর্গ করেছি। 
তিনি আরও বলেন, আমি আমার পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশে ফিরে একজন নারী গবেষক হিসেবে আমার কর্মজীবন চালিয়ে যেতে চাই আর যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্র-নির্ধারিত সহিংসতা ও বৈরিতার মধ্যে আরও সময় নষ্ট করতে চাই না। কেবল ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে একটি মতামত নিবন্ধে স্বাক্ষর করার কারণে আমাকে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।
আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে ওজতুর্ক একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন, যার ফলে তার অভিবাসন সংক্রান্ত মামলা বাতিল করা হয়েছে এবং সরকার স্বীকার করেছে যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে বৈধ অবস্থানে ছিলেন।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে যোগাযোগ করা হয়েছে। ওজতুর্ক তাদের মধ্যে একজন, যাদের গত বছর ফিলিস্তিনপন্থী অবস্থানের কারণে আইসিই আটক করেছিল।
এদের মধ্যে অন্যতম মাহমুদ খলিল, যিনি ট্রাম্প প্রশাসনের সময় প্রথম আটক হওয়া ফিলিস্তিনপন্থী শিক্ষার্থী। তিনি কয়েক মাস আটক ছিলেন এবং এ সময় তার প্রথম সন্তানের জন্মও মিস করেন।
যদিও ট্রাম্প প্রশাসন এখনো এসব শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, খলিল সম্প্রতি বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিলস থেকে বহিষ্কারের চূড়ান্ত আদেশ পেয়েছেন। তবে ফেডারেল আদালতে চলমান আরেকটি মামলার কারণে তাকে বর্তমানে আটক বা বহিষ্কার করা যাচ্ছে না।

* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।

বিপি/এসএম

 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি