৫ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:১৬ পিএম
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টার দিকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরটি আল জাজিরা, বিবিসি, রয়টার্স, এপি,দ্য ডন, এনডিটিভি এবং দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার মতো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে। 

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী’ বেগম খালেদা জিয়া লিভার সিরোসিসসহ দীর্ঘদিনের বহুমুখী অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে আজ ভোরে মারা গেছেন।

ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, বাংলাদেশের রাজনীতির এক প্রভাবশালী অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। রাজনৈতিক বৈরিতা এবং সেনাশাসন বিরোধী আন্দোলনে তার আপসহীন ভূমিকার কথা তারা বিশেষভাবে তুলে ধরেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ৮০ বছর বয়সে মারা গেছেন।  

খালেদা জিয়ার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ফেসবুক পোস্টে ঘোষণা দেয়, ‘আমাদের প্রিয় নেত্রী আর আমাদের মধ্যে নেই। তিনি আজ সকাল ৬টায় আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।’ 

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন বলছে, বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর মারা গেছেন।  মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) তার দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এ তথ্য জানিয়েছে। 

৮০ বছর বয়সি খালেদা জিয়ার লিভার সিরোসিস, আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের সমস্যা ছিল বলে তার চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।

দ্য হিন্দু ও এনডিটিভি জানিয়েছে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশে একটি শূন্যতা তৈরি হলো। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত নভেম্বরে হাসপাতালে ভর্তির পর থেকেই খালেদা জিয়ার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল এবং সবশেষ তিনি লাইফ সাপোর্টে ছিলেন।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে ‘নাটকীয়’ এবং ‘সংগ্রামময়’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি