যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে আরও ৩০ দেশ
নোমান সাবিত: হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সচিব ক্রিস্টি নোম বলেছেন, ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর প্রাণঘাতী হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতা বাড়িয়ে ৩০টির বেশি দেশে নেওয়ার কথা বিবেচনা করছেন।
ফক্স নিউজের ‘দ্য ইনগ্রাহাম অ্যাঙ্গেল’ অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বলেন, আমি নির্দিষ্ট সংখ্যা বলতে চাই না, তবে এটা ৩০–এর বেশি এবং প্রেসিডেন্ট আরও দেশ পর্যালোচনা করছেন।
সে সময় নোম আরও বলেন, দেখুন, যদি কোনো দেশে স্থিতিশীল সরকার না থাকে, যদি তারা নিজেদের নাগরিকদের পরিচয় যাচাই করে আমাদের সহায়তা করতে না পারে—তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার কারণ কী?
ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে ১৯টি দেশকে নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। দেশগুলো হলো—আফগানিস্তান, বুরুন্ডি, চাদ, কিউবা, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ইকুয়েটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লাওস, লিবিয়া, মিয়ানমার, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, সুদান, টোগো, তুর্কমেনিস্তান, ভেনেজুয়েলা ও ইয়েমেন।
ইনগ্রাহাম জানতে চান, নিষেধাজ্ঞায় থাকা দেশের সংখ্যা কি ৩২-এ উঠবে? নোম তখনও নির্দিষ্ট সংখ্যা জানাতে অস্বীকৃতি জানান।
গত মাসের শেষ দিকে ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার পর থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অভিবাসন ইস্যুতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছেন। তিনি ঘোষণা দিয়েছেন ‘তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ থেকে অভিবাসন স্থায়ীভাবে বিরতি দেওয়া হবে।’
এর অংশ হিসেবে প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থী সব দেশের মুলতবি আশ্রয় আবেদন গ্রহণ স্থগিত করেছে। নিষেধাজ্ঞায় থাকা ১৯ দেশের নাগরিকদের অভিবাসন আবেদনও পর্যালোচনা স্থগিত করা হয়েছে, এমনকি গ্রিন কার্ড বাতিলেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন আফগানিস্তানের কোনো নাগরিকের জন্য আর ভিসা ইস্যু করা হবে না, বিশেষ করে সেই দেশ থেকে আসা অভিযুক্ত হামলাকারী রহমানুল্লাহ লাকানওয়ালের ঘটনার পর।
এর ফলে বাইডেন প্রশাসনের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা করা আফগান নাগরিকদের দেশ ছাড়ার পথ কার্যত বন্ধ হয়ে পড়তে পারে।
বিপি/এসএম
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
গুলির শব্দে হোয়াইট হাউস অবরুদ্ধ, সরিয়ে নেওয়া হলো সংবাদকর্মীদের
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি