শ্রীলঙ্কায় সিরিজ বোমা হামলায় মৃত্যের সংখ্যা বেড়ে দুই শতাধিক

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোয় চারটি বিলাসবহুল হোটেল ও তিনটি গির্জায় ধারাবাহিক বিস্ফোরণ হয়েছে।
স্থানীয় সময় রোববার (২১ এপ্রিল) সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে কলম্বোর কোচিকাডের সেন্ট অ্যান্থনি আর উপকূলীয় শহর নেগোম্বোর সেন্ট সেবাস্তিয়ান চার্চে একাধিক বোমার বিস্ফোরণ হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৯ বিদেশিসহ নিহত দুই শতাধিক । এর পরপরই পূর্বাঞ্চলের বাত্তিকালোয়ার একটি চার্চে হামলা হয়। আধ ঘন্টার মধ্যে বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে কলম্বোর তিনটি বিলাসবহুল হোটেল, সিনামোন গ্রান্ড হোটেল, দ্যা শাংরিলা ও কিংসবারি।
ধারাবাহিক এ হামলার ঘন্টাখানেক পরই কলম্বোর কাছে দেহিওয়ালা আর দেমাতাগোদায় হয় আরো দু-দফা বিস্ফোরণ। প্রাথমকিভাবে হামলাগুলোকে আত্মঘাতী বলে ধারণা করছেন দেশটির কর্মকর্তারা। এছাড়া, দেহিওয়ালা ও দেমাতাগোদার বিস্ফোরণে আগের ৬টি হামলার সন্দেহভাজনরা থাকতে পারে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গির্জায় ইস্টার সানডের প্রার্থনায় অংশগ্রহণকারী এবং হোটেলের অতিথিদের টার্গেট করে এ হামলা চালানো হয়। শ্রীলঙ্কান পুলিশ জানিয়েছেন, ৩টি গির্জা ও ৪টি হোটেলে আত্মঘাতী বোমা হামলা হয়েছে। এছাড়া শ্রীলঙ্কায় রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করা হয়েছে। কলম্বোতে সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৭ জনকে আটক করেছে শ্রীলঙ্কান পুলিশ। সোম ও মঙ্গলবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ জানিয়েছেন, শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশিরা নিরাপদে আছেন। এএফপি জানায়, ভয়াবহ এ হামলার দশ দিন আগেই সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন, দেশটির পুলিশ প্রধান। এছাড়া, ২শ'টি খ্রিস্টান চার্চ ও সংগঠনের প্রতিনিধি জানায়, শ্রীলঙ্কায় গত বছর খ্রিস্টানদের ওপর হামলা, হুমকি ও বৈষম্যের ৮৬টি ঘটনা ঘটেছে। এ বছর এ সংখ্যা ২৬টি।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
গুলির শব্দে হোয়াইট হাউস অবরুদ্ধ, সরিয়ে নেওয়া হলো সংবাদকর্মীদের
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি