পুজো মানেই আমার কাছে পাঁঠার মাংস
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: সবাই জানে আমার পায়ের তলায় সর্ষে। ঘুরে বেড়াতে খুব ভালবাসি। নতুন নতুন জায়গা দেখতে এ দিক- সে দিক ছুটে যাই। কিন্তু পুজোর সময় কলকাতা ছাড়া আর কোথাও থাকার কথা ভাবতেই পারি না। শহর জুড়ে হোর্ডিং, ছাতিম ফুলের গন্ধ, দূর থেকে ভেসে আসা ঢাকের আওয়াজ ছাড়া কি পুজো ভাবা যায়! প্রতি বছরের মতো এ বারও তাই শহরেই থাকছি।
পঞ্চমীতে আমার ছবি মুক্তি পেয়েছে। তার প্রচারের জন্য কয়েক দিন বেশ ব্যস্ত ছিলাম। দম ফেলারও সময় পাইনি। ছুটি পেলাম ষষ্ঠী থেকে। এই পাঁচটি দিন নিজের মতো করে কাটাব। পরিবারকে সময় দেব, আমার বাচ্চাগুলোর সঙ্গে খেলা করব। সারা বছর এই দিনগুলোর জন্যই যত অপেক্ষা। কাছের মানুষগুলোকে মনের মতো করে কাছে পাই। এ বছর মা আমার সঙ্গে রয়েছে। কাজের জন্য মাকে সময় দিতে পারি না। এই ক’দিন মায়ের কাছে যতটা থাকা যায়, থাকব। আমার আবাসনে বড় করে পুজো হয়। মায়ের সঙ্গে ওখানে অনেকটা সময় কেটে যাবে। প্রত্যেক বছরের মতো এ বারও মা আমাকে পুজোতে শাড়ি উপহার দিয়েছে। সেই শাড়িটা পরব বলে অপেক্ষা করে আছি। সারা বছর যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, পুজোর আগে আমিও মায়ের জন্য উপহার কিনে ফেলেছি।
পুজোয় ছুটি পাব, এ দিকে আড্ডা হবে না? এমন আবার হয় নাকি! এ বছর বন্ধুদের নিয়ে ঘরোয়া পার্টি হবে। প্রচুর খাওয়াদাওয়া করব। শরীর-স্বাস্থ্যের জন্য সারা বছর ডায়েট করি। এই পাঁচটা দিন কোনও রকম বিধিনিষেধ নৈব নৈব চ। মন ভরে মাংস খাব। ঝোলে-ঝালে-কষায়! পুজোর সময় আমার মিষ্টি প্রীতিও এক লাফে অনেকটা বেড়ে যায়। তাই দিনভর চুটিয়ে খাওয়াদাওয়ার পর শেষ পাতে মিষ্টি চাই-ই চাই!
করোনাকে সঙ্গী করে আমাদের দ্বিতীয় পুজো। এত আনন্দ, উচ্ছ্বাসের মাঝেও কালো মেঘের মতো ছেয়ে রয়েছে অতিমারির ভয়। চাইব সব ধরনের সাবধানতা অবলম্বন করেই উৎসবের উদযাপন হোক।
বিপি। আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি