৫ মে ২০২৬

পাকিস্তানে নিখোঁজ ভারতীয় শিখ নারীর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, স্থানীয় যুবককে বিয়ে

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৫ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৫৯ পিএম
পাকিস্তানে নিখোঁজ ভারতীয় শিখ নারীর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, স্থানীয় যুবককে বিয়ে

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   পাকিস্তানে তীর্থযাত্রায় গিয়ে নিখোঁজ হওয়া ভারতের এক শিখ নারীকে শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানেই পাওয়া গেছে। জানা গেছে, তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে স্থানীয় এক যুবককে বিয়ে করেছেন।

শিখ ধর্মের প্রবর্তক গুরু নানক দেবের ৫৫৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে ‘প্রকাশ পর্ব’ উদযাপনে অংশ নিতে একটি তীর্থযাত্রী দলের সঙ্গে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন পাঞ্জাবের কাপুরথালা জেলার ৫২ বছর বয়সী সরবজিৎ কর। ৪ নভেম্বর আটারি-ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে দেশটিতে প্রবেশ করেন তিনি। দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় ১ হাজার ৯৯২ জন শিখ তীর্থযাত্রীর এই দলকে পাকিস্তানের বিভিন্ন ধর্মীয় স্থানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।

প্রায় ১০ দিন পাকিস্তানে অবস্থানের পর ১৩ নভেম্বর তীর্থযাত্রীরা ভারতে ফিরে আসেন। কিন্তু সরবজিৎ কর তাদের সঙ্গে ফেরেননি। তার অনুপস্থিতি ধরা পড়তেই ভারতীয় অভিবাসন বিভাগ বিষয়টি পাঞ্জাব পুলিশকে জানায়। পাঞ্জাব পুলিশ প্রাথমিক প্রতিবেদন একাধিক ভারতীয় সংস্থার কাছে পাঠায়, আর ভারতীয় মিশন সরবজিতের নিখোঁজ হওয়া নিয়ে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

এরই মধ্যে কয়েক দিন পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে উর্দুতে লেখা একটি নিকাহনামার ছবি। সেখানে উল্লেখ ছিল, সরবজিৎ কর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নিজের নতুন নাম রেখেছেন নূর হুসেইন এবং তিনি শেখুপুরার বাসিন্দা নাসির হুসেইন নামের এক যুবককে বিয়ে করেছেন। তাদের বিয়ের ঘটনা লাহোর থেকে প্রায় ৫৬ কিলোমিটার দূরের শেখুপুরায় হয়েছে। 

ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সরবজিৎ কর সম্ভবত পাকিস্তানে প্রবেশের সময় অভিবাসন ফরমে নিজের নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করেননি। তার পাসপোর্ট পাঞ্জাবের মুক্তসার জেলায় ইস্যু করা। পাকিস্তান থেকে প্রস্থান এবং ভারতে ফেরার নথিতেও তার নাম পাওয়া যায়নি।

সরবজিতের আগে ভারতের করনাইল সিংয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। সেই দাম্পত্যের দুটি সন্তান রয়েছে। পরে তাদের বিচ্ছেদ হয়, আর সাবেক স্বামী প্রায় ৩০ বছর ধরে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি