নিউ ইয়র্কের বন্দুক হামলাকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগাতে আফ্রিকা থেকে ফিরলেন মামদানি

আবু সাবেত: নিউ ইয়র্ক সিটির ডেমোক্রেটিক মেয়র প্রার্থী জোহরান মামদানি সোমবার ম্যানহাটনের মিডটাউনে সংঘটিত গণবন্দুক হামলার প্রতিক্রিয়ায় পূর্বানুমেয় 'গান কন্ট্রোল বা অস্ত্রনিয়ন্ত্রণের বামপন্থী দাবি তুললেন।
ডেমোক্রেটিক সোশ্যালিস্ট এই নেতা উগান্ডায় তার জন্মভূমিতে ১০ দিনের সফর শেষে নিউ ইয়র্কে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসে দ্বিতীয় সংশোধনীবিরোধী এই বার্তাই তুলে ধরলেন।
মামদানি বলেন, 'আমরা আবারও স্মরণ করছি, যতই আমাদের রাজ্যে কঠোর বন্দুক আইন থাকুক না কেন, আমরা কেবল ততটাই নিরাপদ, যতটা নিরাপদ দেশের সবচেয়ে দুর্বল বন্দুক আইন।
তিনি বলেন, কঠোর অস্ত্রনিয়ন্ত্রণ আইনের' আহ্বানের পর এই মুসলিম প্রার্থী গভর্নর ক্যাথি হোকুলের সারাদেশে অ্যাসল্ট রাইফেল নিষিদ্ধ করার আহ্বানকে সমর্থন জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে মামদানি যিনি অতীতে নিউ ইয়র্ক পুলিশকে অর্থায়ন কমানোর দাবি তুলেছিলেন মেয়র প্রার্থী হিসেবে যে এনওয়াইপিডির নিরাপত্তা পান, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অর্থাৎ সমালোচকদের ভাষায়, এই 'কপট' ডেমোক্র্যাট চান আমেরিকানরা যেন আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র না রাখতে পারে, অথচ তিনি নিজে আনন্দের সঙ্গেই সশস্ত্র নিরাপত্তা নিয়ে চলাফেরা করেন।
উল্লেখ্য, লাস ভেগাসের বাসিন্দা শেন তামুরা সোমবার এনএফএলের সদর দপ্তর থাকা ম্যানহাটনের একটি অফিস ভবনে গিয়ে গুলি চালিয়ে চারজনকে হত্যা করেন। এরপর তিনি নিজেও আত্মহত্যা করেন বলে কর্তৃপক্ষ জানায়।
আত্মহত্যার নোটে তামুরা দাবি করেন, তিনি ক্রনিক ট্রমাটিক এনসেফালোপ্যাথি (CTE) নামে পরিচিত একটি মস্তিষ্কের রোগে ভুগছিলেন, যা বারবার মাথায় আঘাত পাওয়ার ফলে হয়, বিশেষ করে ফুটবল খেলোয়াড়দের মধ্যে।
প্রত্যাশিতভাবেই, ডেমোক্র্যাটরা এই ঘটনার পর আবারও 'গান কন্ট্রোল' বাড়ানোর দাবি তুলেছেন, যদিও যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্কের বন্দুক আইন সবচেয়ে কঠোরগুলোর মধ্যে একটি। বন্দুক সহিংসতা দুঃখজনক এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রে যতটা ঘনঘন ঘটে, তা হওয়া উচিত নয়।
কিন্তু প্রতি বার এমন কিছু ঘটলেই, উগ্র অস্ত্রনিয়ন্ত্রণপন্থীরা 'আরও গান কন্ট্রোল' চিৎকার শুরু করেন—যেন এটি দেশের বন্দুক সহিংসতা পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে। বাস্তবে তা হয় না।
যদি অস্ত্রনিয়ন্ত্রণ আইন সত্যিই কার্যকর হতো, তাহলে শিকাগো ও ফিলাডেলফিয়ার মতো কঠোর আইন থাকা ডেমোক্র্যাট-শাসিত শহরগুলোতে এত বেশি বন্দুক হামলা ঘটত না।
[বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।] বিপি। সিএসআপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
গুলির শব্দে হোয়াইট হাউস অবরুদ্ধ, সরিয়ে নেওয়া হলো সংবাদকর্মীদের
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি