৫ মে ২০২৬

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েমের দাবি

নিউ ইয়র্কে অভিবাসীদের পরামর্শ দিয়ে মামদানি কী সংবিধান লঙ্ঘন করছেন?

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:০১ পিএম
নিউ ইয়র্কে অভিবাসীদের পরামর্শ দিয়ে মামদানি কী সংবিধান লঙ্ঘন করছেন?

মিনারা হেলেন: হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম বলেছেন, নিউ ইয়র্ক সিটির নবনির্বাচিত মেয়র জোহরান মামদানি (ডি) অভিবাসন কর্মকর্তারা যোগাযোগ করলে কীভাবে তাদের অধিকার ব্যবহার করতে হবে সে সম্পর্কে অভিবাসীদের জানানোয় হয়তো 'সংবিধান লঙ্ঘন' করেছেন।
তিনি ফক্স নিউজের ‘হ্যানিটি’ অনুষ্ঠানে বলেন, আমরা অবশ্যই এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি এবং বিচার বিভাগ (ডিওজে)-এর সঙ্গে সমন্বয় করে তা তদন্ত করছি। তিনি আরও দাবি করেন, মামদানি 'আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে কীভাবে নির্দেশনা দিতে হয় এবং আইন ভাঙার পরও কীভাবে পার পাওয়া যায়, তা বলে সংবিধান ভঙ্গ করতে পারেন।'
মামদানি সোমবার এক ভিডিও বার্তায় বলেন, মেয়র হিসেবে তিনি নিউ ইয়র্ক সিটির প্রায় ৩০ লাখ অভিবাসীর অধিকার 'রক্ষা করবেন।'  ভিডিওটি ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করা হয়, যার শিরোনাম ছিল 'জানুন আপনার অধিকার।'
ভিডিওতে মামদানিকে বলতে শোনা যায়, অভিবাসন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্মকর্তারা চাইলে, আদালতের অনুমোদিত ওয়ারেন্ট ছাড়া  মামদানিমন্তব্য করেন, আপনার বাসায় প্রবেশে বাধা দিতে পারেন। তবে তিনি একইসঙ্গে বলেন, তদন্তে কেউই বাধা সৃষ্টি করতে পারবেন না।
'যদি আইসিই-র কাছে কোনো বিচারকের স্বাক্ষরযুক্ত ওয়ারেন্ট না থাকে, তবে আপনি বলতে পারেন, ‘আমি প্রবেশের অনুমতি দিচ্ছি না এবং দরজা বন্ধ রাখার অধিকার আপনার আছে।
তিনি আরও জানান, ব্যক্তির নীরব থাকার অধিকার আছে, আটক অবস্থায় জানতে চাওয়ার অধিকার আছে যে তিনি যেতে পারবেন কি না। এছাড়া গ্রেপ্তারে বাধা না দিলে আইসিই-এর কার্যক্রম ভিডিও করা যেতে পারে।
নোয়েম স্পষ্ট করে বলেননি, মামদানি কীভাবে আইন ভঙ্গ করেছেন। তবে তাঁর বক্তব্য ট্রাম্প প্রশাসনের এক পূর্ববর্তী ঘটনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যখন ছয়জন কংগ্রেস সদস্য একটি ভিডিওতে বলেছিলেন, সামরিক সদস্যরা বেআইনি আদেশ মানতে বাধ্য নন।
পরে ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে সেই ভিডিওকে 'দেশদ্রোহী কর্মকাণ্ড' আখ্যা দিয়ে দাবি করেন, এটি 'মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ!' যদিও পরে হোয়াইট হাউজ জানায়, প্রেসিডেন্ট চান না তাদের ফাঁসি হোক।
এরপর এফবিআই ওই ছয় ডেমোক্র্যাট সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে। তারা দাবি করেন, আইন লঙ্ঘনের কোনো কাজ তারা করেননি—শুধু একটি তথ্য জানিয়েছিলেন।
আমাদের লক্ষ্য করে প্রেসিডেন্ট এফবিআইকে লাগিয়ে দিচ্ছেন, এ কারণেই আমরা ভিডিওটি করেছি। তিনি ফেডারেল সরকারকে তাঁর বিরোধীদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চান এবং মনে করেন আইন তাঁর বা তাঁর মন্ত্রিসভার ওপর প্রযোজ্য নয়। তদন্ত শুরুর পর মন্তব্য করেন সিনেটর এলিসা স্লটকিন (ডি-মিশিগান), ভিডিওতে থাকা সদস্যদের একজন।
তিনি আইনি হয়রানিকে ভয় দেখানোর কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেন যাতে কেউ প্রতিবাদ করতে না সাহস পায়।
বিপি/এসএম

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি