৯ আগস্ট ২০২৬

নিউ ইয়র্কে ৬০ হাজার শিশু হাঁপানি রোগে আক্রান্ত

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
নিউ ইয়র্কে ৬০ হাজার শিশু হাঁপানি রোগে আক্রান্ত
সাবিত্রী রায়: নিয়মিত গ্যাসের চুলায় রান্নার কারনে শুধুমাত্র নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যেই ১৯ শতাংশ শিশু হাঁপানি রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। নিউইয়র্ক সিটির পাবলিক স্কুলের প্রায় ৬০ হাজার শিশু হাঁপানি রোগে ভুগছেন। এর মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক ব্রঙ্কসে। হেলথ ডিপার্টমেন্টের ২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী নিউইয়র্ক সিটির প্রায় ৭৩ শতাংশ বাড়িতে গ্যাসের চুলায় রান্না হয়। আর পুরো নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে ৮৪ শতাংশ স্বল্প আয়ের মানুষের বাড়িতে রান্না হয় এই ফসিল ফুয়েলে। পুরো আমেরিকায় এই হার ৫৪ শতাংশ। আর এই গ্যাস চুল্লিতে রান্নার কারণে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে ১৯ শতাংশ শিশু এ্যাজমায় আক্রান্ত। গত মাসে ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব এনভার্নমেন্টাল রিসার্চ এন্ড পাবলিক হেলথে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই সব তথ্য দেয়া হয়েছে। এইসব তথ্যের সত্যতা ধরা পড়েছে ‘আমেরিকান হাউজিং সার্ভে’তেও। প্রতিবেদনের শেষে এর সমাধান কল্পে অর্থাৎ শিশুদের নতুন করে আক্রান্ত না হওয়ার এবং যারা ইতিমধ্যে আক্রান্ত তাদের এ্যাজমা আরো বেড়ে যাওয়া রোধ করতে গ্যাস স্টোভ ব্যবহার নিষিদ্ধ করে রিনিউয়েবল পাওয়ার স্টোভ ব্যবহার করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে গ্যাস স্টোভের কাছ থেকে শিশুদের দূরে রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এই তথ্য এনার্জি জাস্টিস ল এন্ড পলিসি সেন্টারের কর্মকর্তাদের বিস্মিত করেছে। যদিও তথ্যটি একেবারেই নতুন নয়। ২০১৯ সালের এক রোডম্যাপে ক্লাইমেট লিডারশিপ এন্ড কম্যুনিটি প্রটেকশন এ্যাক্টে এই আশংকা করা হয়েছিল। কিন্তু গত মাসের প্রকাশিত তথ্যের কারণে কুকিং ও হিটিংএর জন্য গ্যাস ব্যবহার বন্ধ করে দিয়ে সোলার পাওয়ার ব্যবহারের ওপর চাপ সৃষ্টি হলো। যদিও গত বছর নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলে পাশ হওয়া একটি বিলে বলা হয়েছে ২০২৭ সালের মধ্যে নির্মিত সব নতুন ভবনে কোনো গ্যাস সংযোগ দেয়া হবে না, তার পরিবর্তে সম্পূর্ণ ইলেকট্রিক হতে হবে। তবে নিউইয়র্ক স্টেট এ ধরনের কোনো বিল পাশ করতে পারেনি। আশা করা হচ্ছে খুব শিগিগির একটি বিল এ বছর আলবেনিতে পাশ হবে। বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি