১১ আগস্ট ২০২৬

মুজাদ্দিদে আলফেসানি (রহ.) আধ্যাত্মিক আকাশের উজ্জ্বলতম ধ্রুবতারা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১১ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫৪ পিএম
মুজাদ্দিদে আলফেসানি (রহ.) আধ্যাত্মিক আকাশের উজ্জ্বলতম ধ্রুবতারা

।। মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন দুনিয়ার আকাশকে যেমন অসংখ্য নক্ষত্রের মাধ্যমে সাজিয়েছেন তেমনি আধ্যাত্মিক আকাশকে তার প্রিয় বান্দা তথা গাউস-কুতুব, অলি-আওলিয়া, আবদাল-আওতাদ, নুক্বাবা-নুজাবা প্রমুখের মাধ্যমে সুশোভিত করেছেন। তাঁর সেই আধ্যাত্মিক আকাশের উজ্জ্বলতম ধ্রুবতারা হলেন যুগশ্রেষ্ঠ অলিয়ে কামেল ইমামে রাব্বানি, কাইয়ু্যমে জামানি মুজাদ্দিদে আলফেসানি হজরত শায়খ আহমদ ফারুকি সিরহিন্দি রহমাতুল্লাহি আলাইহি। মুজাদ্দিদের রুহানি সফর, রুহানি অভিজ্ঞতা ও রুহানি অর্জন সবটুকুর বর্ণনা জ্যামিতিক। তিনি বৃত্তের পর বৃত্ত দিয়ে সবটুকুকে কখনও খণ্ডিত বা কখনও পূর্ণাঙ্গ রূপ দান করেছেন। তার শুরু বৃত্ত দিয়ে, শেষও বৃত্ত দিয়ে। কখনও মনে হবে বৃত্ত একটিই।
রাসুলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এই উম্মতের জন্য প্রতি শতাব্দীর শুরুতে এমন একজন ব্যক্তিকে পাঠিয়েছেন, যিনি এই শতাব্দীর জন্য দ্বীনের সংস্কারমূলক কাজ করবেন।’ হিজরি দ্বিতীয় সহস্রাব্দের শুরুতে জন্মগ্রহণ করে দ্বীনের সংস্কারমূলক কাজ করায় তাকে ‘মুজাদ্দিদে আলফেসানী’ বলা হয়। মুজাদ্দিদে আলফেসানী (রহ.) মাত্র ১৭ বছর বয়সে হিফজুল কোরআনসহ হাদিস, তাফসির, ফিকাহ, দর্শন, তর্কশাস্ত্র, কালামশাস্ত্র ইত্যাদি বিষয়ে পূর্ণ ব্যুত্পত্তি অর্জন করেন। বাহ্যিক জ্ঞানের পাশাপাশি আধ্যাত্মিকতার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেন তিনি। চিশতিয়া, কাদেরিয়া ও নকশেবন্দিয়া—এই তিন তরিকার প্রতিটিতেই কঠোর সাধনা করে যথাক্রমে শাহ সিকান্দার (রহ.), শাহ কামাল (রহ.) এবং খাজা বাকি বিল্লাহর (রহ.) কাছ থেকে তিনি খিলাফত লাভ করেন।
আধ্যাত্মিক উৎর্ষ সাধনের পর মুজাদ্দিদে আলফেসানী (রহ.) সম্রাট আকবরের দ্বীনে ইলাহির কবল থেকে মুক্ত করে কীভাবে উপমহাদেশে আবার দ্বীন প্রতিষ্ঠা করা যায় সে জন্য কর্মপন্থা নির্ধারণে তার সম্মুখে ৩টি মাত্র পথ খোলা ছিল। প্রথমত: দেশ ও রাষ্ট্রকে আপন অবস্থায় ছেড়ে দিয়ে নীরব-নির্জন কোনো স্থানে অবস্থান নিয়ে আল্লাহর ইবাদত বন্দেগিতে সময় কাটিয়ে দেয়া। দ্বীতিয়ত : মুসলিম নামধারী শাসকদের সংশোধনের আশা একেবারে বাদ দিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ধর্মীয় জিহাদ ঘোষণা করা এবং এদের ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ করে খাঁটি ইসলামপ্রেমিক লোকদের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যবস্থা করা। তৃতীয়ত: রাষ্ট্রের ক্ষমতাসীন প্রভাবশালী মন্ত্রী-আমলা এবং দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে তাদের বিশ্বাস ও আস্থায় নিয়ে আসা। যেন তারাই সম্রাটকে সহিহ ইসলামের পথে নিয়ে আসার জন্য উৎহিত করেন।
হযরত মোজাদ্দেদ আলফেসানী আহমদ সিরহিন্দি (রহ.)'র মিশন হিসাবেক গ্রহন করেছিলেন সম্রাট আকবরের দীনে ইলাহীকে প্রতিহত করে, তদ্বস্থলে ইসলামী আদর্শের পূনঃপ্রতিষ্ঠা করা। তার প্রচেষ্ঠার ফলে আকবরের পরবর্তী সম্রাটগণ ইসলামের দিকে ধাবিত হতে থাকে। বাদশাহ আওরঙ্গজেব আলমগীর হচ্ছেন যার উজ্জ্বল নমুনা। বাদশা আওরঙ্গজেব আলমগীর শুধু একজন সম্রাট বা বাদশাই ছিলেন না বরং একজন বিজ্ঞ আলেমও ছিলেন।

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা এই উম্মতের জন্য প্রতি শতাব্দীর শিরোভাগে এমন লোকের আবির্ভাব ঘটাবেন, যিনি এই উম্মতের দ্বিনকে সংস্কার করবেন। (আবু দাউদ, হাদিস : ৪২৯১) দ্বিতীয় সহস্রাব্দে ভারতবর্ষে তেমনি একজন সিংহপুরুষের আবির্ভাব ঘটেছিল। যাঁর নাম আহমদ, তিনি মুজাদ্দিদে আলফেসানি হিসেবে বেশি প্রসিদ্ধ। ধর্মীয় আবহে লালিত-পালিত হওয়ায় বাল্যকাল থেকেই তাঁর মধ্যে আধ্যাত্মিকতার ছাপ ছিল প্রকট। জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি তিনি আধ্যাত্মিকতার জগতেও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন। মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের একজন ইসলামি পন্ডিত। তিনি ফিকহের হানাফি ধারা ও নকশবন্দি সুফি তরিকার অনুসারী ছিলেন। তাকে মুজাদ্দিদে আলফেসানি বলা হয় যার অর্থ ‘দ্বিতীয় সহস্রাব্দের সংস্কারক’। মুঘল সম্রাট আকবরের সময় তার গঠিত ‘দ্বীনে এলাহি’ নামক ফেতনা ও ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরোধীতার জন্য তিনি অধিক পরিচিত।
সম্রাট আকবরের দ্বীনে এলাহি প্রবর্তন নিছক একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত অবস্থান পরিবর্তন ছিলো না। বরং তা ছিলো ইসলামী বিশ্বের বড় এক অংশের পরিবর্তন। যার শাসক ছিলো সমকালীন প্রতাপশালী একজন ব্যক্তি। যে শাসকের দরবারে ছিলো যুগের সূর্যসন্তানেরা। দ্বীন ইসলামের এই সংকটময় মুহূর্তে প্রয়োজন ছিলো একজন মুজাদ্দিদের; যিনি আকবরের এই ফেতনার মোকাবেলায় দ্বীন ইসলামের প্রকৃত শিক্ষাকে আঁকড়ে ধরে হকের মশাল জ্বালাবেন। তাই আল্লাহ তাআলা প্রেরণ করলেন শায়খ আহমদ ফারুকি সিরহিন্দি রাহমাতুল্লাহি আলাইহিকে।
মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহির নাম হচ্ছে- আবুল বারাকাত বদরুদ্দীন শায়খ আহমদ নকশেবন্দী সিরহিন্দি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি। তিনি ৯৭১ হিজরিতে (মোতাবেক ১৫৬৪ খ্রিস্টাব্দে পাঞ্জাবের তৎকালীন পাতিয়ালি রাজ্যের বিখ্যাত শহর সিরহিন্দে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম আবদুল আহাদ। পিতা আবদুল আহাদ শায়খ আবদুল কুদ্দুস গাঙ্গোহির মুরিদ ছিলেন। তার বংশানুক্রম হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছে।
মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি নিজ পিতার কাছ থেকে চিশতিয়া তরীকায় দীক্ষা গ্রহণ করেন। ওই সময় তিনি সোহরাওয়ার্দিয়া ও কাদরিয়া তরীকার দীক্ষাও লাভ করেছিলেন। তার উস্তাদ শায়খ ইয়াকুব কাশ্মীরী রাহমাতুল্লাহি আলাইহি এর মাধ্যমে তিনি আরো একটি তরীকার শিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু কোনটার দ্বারাই তিনি পরিপূর্ণ আত্মতৃপ্তি পাচ্ছিলেন না। ১০০৮ হিজরিতে হজযাত্রায় দিল্লি পৌঁছলে তার জনৈক বন্ধু খাজা বাকীবিল্লাহ নকশেবন্দি রাহমাতুল্লাহি আলাইহির কামালাত সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। শাইখের প্রতি অন্তরে আকর্ষণ সৃষ্টি হয়। তিনি তার খেদমতে হাজির হন। খাজা সাহেবের সান্নিধ্যে অল্পদিন অবস্থান করার দ্বারা মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি এর বহুদিনের আধ্যাত্মিক অতৃপ্তির অবসান ঘটে। অপর দিকে খাজা সাহেব রাহমাতুল্লাহি আলাইহি মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি সাহেবের সততা, সরলতা, সুন্নতের অনুসরণ ও শরিয়তের পালন দেখে অভিভূত হন। এরপর মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি নিজ শায়খের নির্দেশে নিজ এলাকা সিরহিন্দে ফিরে আসেন।
হযরত মুজাদ্দিদ আহমদ সিরহিন্দি (রহ.) এর জন্মের সময় বাদশা আকবর দীনে ইলাহী নামে এক নতুন মনগড়া ধর্ম প্রবর্তন করছিলো। শিক্ষাগ্রহণের সময়ে তিনি খুব কাছে থেকে আকবর ও তার ইসলাম বিরোধী নীতিকে প্রত্যক্ষ করেছিলেন। কর্মজীবনে আসার পর তার কাছে আরো স্পষ্ট হয় যে, রাষ্ট্র কীভাবে দীন ইসলামের বিরোধীতায় অবতীর্ণ হয়েছে। এসব বুঝার পর, তার ভেতর লুকিয়ে থাকা ঈমানী সুপ্ত আগুন জ্বলে ওঠে। পরিস্কার হয়ে ওঠে জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য। অবস্থার পরিবর্তনই এখন তার মূল টার্গেটে পরিণত হয়। ফিকিরের মূল জায়গা দখল করে নেয়, হিন্দুস্তানে মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যতের চিন্তা। এহেন নাযুক মুহূর্তে অন্যদের ন্যায় তিনি দর্শকের ভূমিকা পালন না করে, অবতীর্ণ হলেন বিপ্লবের ময়দানে। ঠিক করলেন কর্মপন্থা।দাওয়াত ও ইসলাহের ময়দানে শাইখ আলফে সানী (রাহ.) কঠোর কোনো কর্মসূচি দেননি। প্রথমে তিনি নিজের ভেতর থেকে সমস্ত রকমের জাগতিক স্বার্থকে বের করলেন। একমাত্র সংশোধন ও ইসলাহের নিয়তে রাজ্যের কর্মকর্তাদের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। তারপর তিনি রাজ্যের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের কাছে যাতায়াত শুরু করলেন। শুরুতে তাকে অন্যদের মতোই ধান্দাবাজ মনে করলেও খুব দ্রুতই তার ব্যাপারে তাদের ধারণা পাল্টে যেতে থাকে। তারা দেখতে পেলো, তিনি শুধু রক্তে মাংসে গড়া একজন মানুষ; বরং তার ভেতর রয়েছে মনুষ্যত্বের যাবতীয় গুণাবলী। তার উপর বস্তুর কোনো কর্তৃত্ব চলে না; তিনিই বস্তুর উপর কর্তৃত্ব করেন। তখন তারা শাইখের সামনে নিজেদেরকে সোপর্দ করে দিলো। তার এই তৎপরতার সময় সম্রাট আকবর জীবিত ছিলেন। এর কিছু দিন পরেই আকবর মারা যায় আর ক্ষমতায় বসে সম্রাট জাহাঙ্গীর।
সম্রাট জাহাঙ্গীর মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহিকে আকবরের তুলনায় বেশি সম্মান করতো। কিন্তু তার পাশের লোকেরা মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহিকে ভালো চোখে দেখতো না। তাই ওরা সম্রাটকে কানপড়া দিতে শুরু করলো। পরামর্শ দিলো, তাকে পরীক্ষা করে দেখা দরকার। এ জন্য সম্রাট একবার তাকে দরবারে ডেকে পাঠালো। ওই সময় নিয়ম ছিলো, যারা রাজ দরবারে আসবে সম্রাটকে সম্মানের সেজদা করবে। এ ব্যাপারে ইসলামের রীতি হচ্ছে, আগন্তুক সালাম দিবে, সেজদা নয়। তাই মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি দরবারে প্রবেশের পর সেজদা না করে, সালাম দিলেন। এতে সম্রাট ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে জেলে বন্দি করে। মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহিকে জেলে আটক করা শাপেবর হলো। তিনি সুযোগকে কাজে লাগালেন। জেলখানায় তিনি দাওয়াতি কাজ শুরু করে দিলেন। এতে কয়েকজন অমুসলিম তার হাতে মুসলমান হয়। অসংখ্য অপরাধী তওবা করে গুনাহ থেকে ফিরে আসে।
এ সময়ে শায়খ রাহমাতুল্লাহি আলাইহি এর মুরিদরা মুক্তির জন্য বিভিন্ন আন্দোলন শুরু করেন এবং সম্রাট নিজেও স্বীয় কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়ে মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহিকে জেল থেকে মুক্তি দেয়। মুক্তির পর রমজান মাসে তিনি সম্রাটের কাছে কাটান। সম্রাট শায়খের পেছনে তারাবির নামাজ আদায় করেন। ওই সময় তিনি সম্রাটকে বিভিন্ন বিষয়ে উপদেশ দেন। এভাবে আবারো রাজ পরিবার দ্বীনের পথে আসতে থাকে। যার সর্বশেষ ফলাফল হচ্ছে, বাদশা আলমগিরের মতো ন্যায়পরায়ন, আল্লাহভীরু শাসক।
মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি ছিলেন সুন্নতে নববির একান্ত অনুসারী। তাই তাঁর জীবনঘড়ি যখন ৬৩-তে পৌঁছল, তখন তিনি বললেন, সম্ভবত আমি আর বাঁচব না। কারণ নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বয়সও ছিল ৬৩ বছর। তিনি ১০৩৪ হিজরির ২৮ সফর মোতাবেক ১৬২৪ ইং রোজ সোমবার বা মঙ্গলবার ৬৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
তার এর উল্লেখযোগ্য রচনা হচ্ছে- ১. আল মাবদা ওয়াল-মাআদ, ২. রিসালা-ই তাহলীলিয়্যা, ৩. রিসালা ফী ইছবাতিন নাবুওয়া ওয়া আদাবিল মুরীদিন, ৪. রাদ্দে রাওয়াফিজ, ৫. হযরত মুজাদ্দিদ আহমদ সিরহিন্দি (রাহ.) এর সর্ববৃহৎ ও জ্ঞানসমৃদ্ধ অবদান হচ্ছে মাকতূবাত। অনেকের ধারণা, মাওলানা রুমী (রাহ.) এর মাছনবীর পর আহমদ সিরহিন্দি (রাহ.) এর মাকতূবাতই ইসলামী দর্শন, নিগূঢ় তত্ত, শরীয়ত ও তরীকতের বড় ভাণ্ডার।
মৃত্যুকালে মুজাদ্দিদে আলফেসানি রাহমাতুল্লাহি আলাইহির কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছিল একটি ফার্সি কবিতার স্তবক, যার ভাবার্থ হলো, 'আজ ওই প্রিয়তমের সঙ্গে আমার সাক্ষাৎ হবে, যাঁর জন্য আমি পুরো দুনিয়াকে উৎসর্গ করে দিতে প্রস্তুত।' তিনি আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু তার দেওয়া কোরআন সুন্নাহর আলোকি তরিকায়ে নক্সবন্দিয়া-মোজাদ্দেদিয়ার ধারা রয়ে গেছে। আল্লাহ তাআলা আমাদের তার দেখানো পথ অনুসরণ করে দুনিয়া ও পরকালের মুক্তি অর্জন করার তাওফিক দান করুক।

বিপি>টিডি
 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি