৪ মে ২০২৬

কেন হরমুজ প্রণালি এতো গুরুত্বপূর্ণ কেন

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২২ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৪ এএম
কেন হরমুজ প্রণালি এতো গুরুত্বপূর্ণ কেন

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি সরু নৌপথ হরমুজ প্রণালির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য পথ। এর উত্তরে ইরান এবং দক্ষিণে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত অবস্থিত। 

প্রণালিটি পারস্য উপসাগরকে আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।

বিবিসির তথ্যমতে, প্রণালিটি এতই গভীর যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেলবাহী জাহাজগুলোও এখানে চলাচল করতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল ও গ্যাস উৎপাদনকারী দেশগুলো এবং তাদের ক্রেতারা এই পথ ব্যবহার করে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা চালানোর পর থেকে তেহরান কার্যত বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে।

এ জলপথটি প্রবেশ ও প্রস্থান মুখে প্রায় ৫০ কিলোমিটার প্রশস্ত এবং সবচেয়ে সরু স্থানে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার।

বিশ্বের প্রায় ২০% তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সাধারণত এই প্রণালি দিয়ে পরিবহণ হয়। কেবল ইরান নয়দ ইরাক, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও আমিরাত থেকেও তেল এই পথ দিয়ে যায়।

সাধারণত প্রতি মাসে প্রায় ৩,০০০ জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, কারণ ইরান ট্যাঙ্কার ও অন্যান্য জাহাজে হামলার হুমকি দিয়েছে।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে অন্তত ২১টি জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে বা লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে। অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি হয়েছে, যা এ বছর বেড়েছে প্রায় ৭০% এবং গত বছরের তুলনায় প্রায় ৫০% বেশি।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশালে লিখেছেন, ইরান যদি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কোনো হুমকি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘ধ্বংস করে দেবে’।

তার ভাষায়, “ইরান যদি  এই মুহূর্ত থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সম্পূর্ণভাবে, কোনো হুমকি ছাড়াই হরমুজ প্রণালি খুলে না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালাবে এবং সেগুলো ধ্বংস করে দেবে—সবচেয়ে বড়টি দিয়ে শুরু করে!” সূত্র: যুগান্তর
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি