১২ আগস্ট ২০২৬

ইসরাইল হবে 'বাইডেনের ভিয়েতনাম’: বার্নি স্যান্ডার্স

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
ইসরাইল হবে 'বাইডেনের ভিয়েতনাম’: বার্নি স্যান্ডার্স
নোমান সাবিত: মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেছেন, ইসরাইল হয়ে উঠতে পারে 'বাইডেনের ভিয়েতনাম’। ফিলিস্তিনের মুক্তির দাবিতে পথে নামছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শাস্তির মুখে পড়েও পিছু হটছেন না তারা। শিক্ষার্থী-বিক্ষোভ এবং ভিন্ দেশের যুদ্ধে প্রচুর খরচের প্রশ্নে নির্বাচনের আগে সব মিলিয়ে বেশ বিপাকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাইডেন। এর মধ্যে ফিলিস্তিনপন্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স এসব কথা বলেন। গত ৭ অক্টোবর ইসরাইল-হামাস সংঘাত শুরুর হওয়ার পরেই সরাসরি ফিলিস্তিনের হামাসের পাশে দাঁড়ায় পশ্চিম এশিয়ার বেশ কয়েকটি সশস্ত্র সংগঠন। তার মধ্যে হাউছিরা অন্যতম। তারা লোহিত সাগরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক নৌপথে হামলা শুরু করে। গত কয়েক সপ্তাহে আমেরিকার নানা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে দু’হাজারের বেশি গ্রেফতার হয়েছে। শাস্তির মুখে পড়েছেন যে সব শিক্ষার্থী, তাদের জন্য ইয়েমেনের দরজা খোলা রয়েছে, বার্তা দিয়েছে হাউছিরা। হাউছি পরিচালিত সানা ইউনিভার্সিটির এক কর্মকর্তা বলেন, 'ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়ে আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন যারা, তাদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানাচ্ছি। ফিলিস্তিনের পাশে এই লড়াইয়ে যত রকমভাবে থাকা সম্ভব, আমরা রয়েছি।' নির্দিষ্ট ইমেল-ঠিকানা দিয়ে সানা ইউনিভার্সিটির সাথে যোগাযোগ করার জন্য আহ্বান জানান তিনি। ভারমন্টের সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়-শিক্ষার্থীদের ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে সমর্থন জানিয়েছেন। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বাইডেনের তুলনা করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট লিন্ডন বি জনসনের সাথে, যিনি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়ে শিক্ষার্থী-বিক্ষোভের জেরে ১৯৬৮ সালে পুনর্নিবাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। স্যান্ডার্স বলেন, এবার ইসরাইল নিয়ে তার অবস্থানের জন্য যুব সম্প্রদায় ও ডেমোক্র্যাটদের বড় অংশের সমর্থন খুইয়ে বাইডেন হেরে যেতে পারেন আগামী নভেম্বর মাসের নির্বাচনে। বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি