৪ মে ২০২৬

ইরান কিনছে চীনের তৈরি জাহাজ বিধ্বংসী অস্ত্র

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:১০ বিকাল
ইরান কিনছে চীনের তৈরি জাহাজ বিধ্বংসী অস্ত্র

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   ইরানে হামলা করার জন্য আরব সাগরে যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকন মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি একই কাজে ব্যবহৃত বিশ্বের বৃহত্তম রণতরী জেরাল্ড আর ফোর্ড ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পানিসীমার কাছে নেওয়া হচ্ছে। যেটি ইতোমধ্যে ভূমধ্যসাগরে চলে এসেছে। এই দুই জাহাজ দিয়ে ইরানকে ধ্বংস করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এসব রণতরীকে ওয়াশিংটন যত ভয়ংকর করেই উপস্থাপন করুক না কে তাতে কিছুই যায়আসেনা বলে বরাবরই বলে আসছে তেহরান। 

এতদিন বিষয়টি নিয়ে ভাবনায় ছিল খোদ যুক্তরাষ্ট্রসহ দেশটির মিত্ররা। ইরান কেন আমেরিকাকে ভয় পাচ্ছে না, ঠিক কোন কারণে ওয়াশিংটনের কাছে আত্মসমর্পণ করছে না তেহরান- এই প্রশ্ন এখন পেন্টগান ও হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের মুখে মুখে। এমন আলোচনা চলার মধ্যেই সম্প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বলেছিলেন যে, মার্কিন রণতরীতে ভীত নয় তেহরান, কারণ তাদের কাছে এর চেয়েও শক্তিশালী অস্ত্র আছে, যা এসব দানবীয় রণতরীকে সাগরে ডুবিয়ে দিতে পারে।

বিষয়টি নিয়ে সবাই যখন চিন্তায় পড়ে গেছে, তখন মার্কিন সমরবিদরা ভেবে পাচ্ছেন না যে ইরানের কাছে কী-এমন অস্ত্র আছে, যা তাদের সামরিক ময়দান ছাড়াও মানসিকভাবেও শক্তিশালী করেছে? এরই মধ্যে প্রকাশ হয়েছে গোপন চুক্তি তথ্য।

চীন থেকে জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ মিসাইল কিনছে ইরান। ইতোমধ্যে এ বিষয়ে চুক্তির শেষ ধাপে পৌঁছে গেছে দেশ দুটি। আলোচনাটি সম্পর্কে অবগত এমন ছয় ব্যক্তির বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন থেকে দেশটির তৈরি জাহাজ বিধ্বংসী সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল সিএম-৩০২ কিনছে ইরান।

দুই সমরাস্ত্র বিশেষজ্ঞ বলছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র পাওয়ার পর সাগরে যেকোনো অস্ত্র তা রণতরী ধ্বংস করার ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা বহুগুণে বেড়ে যাবে।

সিএম-৩০২ ক্রুজ মিসাইলের শক্তি কেমন

সিএম-৩০২ চীনের তৈরি একটি সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ মিসাইল। এটি জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র। যুদ্ধের ময়দানে এই ক্ষেপণাস্ত্র অন্যতম শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।

এই মিসাইল চীনের ওয়াইজে-১২ সুপারসনিক অ্যান্টি-শিপ ক্রুজ মিসাইলের একটি রপ্তানি সংস্করণ। যা দেশটি মিত্রদের কাছে বিক্রি করে থাকে।

সিএম-৩০২ সক্ষমতা ও দক্ষতার দিক দিয়েও বেশ এগিয়ে আছে, যা শত্রুপক্ষকে ভীত করতে পারে। এটি জাহাজ-ভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়ানোর জন্য নিচ দিয়ে এবং উচ্চ গতিতে ওড়ার জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া এর অপারেশনাল রেঞ্জ বা পাল্লা প্রায় ২৯০ কিমি। 

ক্ষেপণাস্ত্রটি ব্যবহারও বেশ সহজ। এই পদ্ধতি স্থল-ভিত্তিক ভ্রাম্যমান স্টেশন, জাহাজ ও বিমানেও ব্যবহার করা যায়। নিক্ষেপ করা যায় এই তিন স্টেশন থেকেই। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি