১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দ্বিতীয়বার সন্তান দত্তক নিলেন ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ তারকা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪০ পিএম
দ্বিতীয়বার সন্তান দত্তক নিলেন ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ তারকা

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ তারকা মিলি ববি ব্রাউন ও তাঁর স্বামী জেক বনজোভির সংসারে এসেছে নতুন অতিথি। মাত্র ২২ বছর বয়সেই দ্বিতীয়বারের মতো মা হয়েছেন ব্রিটিশ এই অভিনেত্রী।

এবারও দত্তক নেওয়ার মাধ্যমে এক পুত্রসন্তানকে পরিবারে স্বাগত জানিয়েছেন মিলি ও জেক।

গতকাল ১৭ সেপ্টেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে সুখবরটি ভাগ করে নেন অভিনেত্রী। নবজাতকের ছোট্ট হাতের ছবি প্রকাশ করে মিলি লেখেন, ‘হাই, ছোট্ট বন্ধু!’ ছবিতে তাঁর আঙুলে ‘মম’ লেখা একটি আংটিও দেখা গেছে।

এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে একটি কন্যাশিশুকে দত্তক নিয়েছিলেন মিলি ও জেক।

এবার পুত্রসন্তানকে পরিবারে স্বাগত জানানোর মধ্য দিয়ে চার সদস্যের পরিবার হলো এই দম্পতির।

ব্যক্তিগত জীবন বরাবরই আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন মিলি ও জেক। পারিবারিক নানা মুহূর্ত খুব একটা প্রকাশ্যে না আনলেও বিশেষ কিছু ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুসারীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তারা। নতুন সন্তানের খবর প্রকাশ্যে আসার পরই ভক্তদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় ভাসছেন অভিনেত্রী।

২০২১ সালে মিলি ববি ব্রাউন ও জেক বনজোভির প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। কয়েক বছর সম্পর্কের পর ২০২৪ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। বিয়ের পরও দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবন অনেকটাই ব্যক্তিগত রেখেছেন এই তারকা দম্পতি।

চলতি বছরের জুনে কাইলি কেলসির পডকাস্ট ‘নট গনা লাই’-এ ভবিষ্যতে আরো সন্তান দত্তক নেওয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছিলেন মিলি। সমাজকর্মী হওয়ার লক্ষ্যে পড়াশোনার সময় দত্তক গ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য জেনেছিলেন বলেও জানান তিনি।

অভিনেত্রীর কথায়, দত্তক নেওয়া তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনারই একটি অংশ ছিল।

অল্প বয়সেই অভিনয়ে পা রেখে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন মিলি ববি ব্রাউন। নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় সিরিজ ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এ ইলেভেন চরিত্রে অভিনয় করে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান তিনি। এরপর ‘এনোলা হোমস’ সিরিজসহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সর্বশেষ তাকে দেখা গেছে ‘এনোলা হোমস ৩’ সিনেমায়।
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি