ব্যাটিং বিপর্যয়ে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ইনিংস ব্যবধানে হার বাংলাদেশ
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট সিরিজ খেলতে গেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সিরিজের প্রথম টেস্ট শুরু ১৩ আগস্ট। সিরিজ শুরুর আগে প্রস্তুতি ম্যাচে টাইগারদের ব্যাটিং দৈন্যদশা ফুটে উঠেছে।
অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে মেহেদি হাসান মিরাজের অপরাজিত ১০৯ রানের ইনিংসে ভর করে ২৬৩ রান করলেও; দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে ৫৪ রানেই অলআউট হয় বাংলাদেশ। যে কারণে ইনিংস ও ৩৮ রানে হেরে যায় টাইগাররা।
ডারউইনের প্রস্তুতি ম্যাচের শেষ ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের সামনে ত্রাস হয়ে উঠেছিলেন ক্যামবেল থম্পসন। মাত্র ১১ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ৮ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার। বাংলাদেশের পতন হওয়া ১০ উইকেটের আটটিই তার শিকার।
৯২ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে বাংলাদেশের। সাদমান ইসলাম ৬ ও মুমিনুল হক ৬ রানে ফেরেন। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত রানের খাতাই খুলতে পারেননি। সৌম্য সরকার করেন ৫, মুশফিকুর রহিম ২। ৩৬ রানেই চার উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায় বাংলাদেশ।
এরপর তানজিদ হাসান ২২ রানে সামান্য প্রতিরোধ গড়লেও তাকে ফিরিয়ে আবারও আঘাত করেন থম্পসন। ৪৫ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারানোর পর মিরাজও রকিচোলির বলে ৬ রান করে ফিরলে শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২১.৬ ওভারে ৫৪ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
প্রথম ইনিংসে দারুণ খেলে বাংলাদেশ। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মিরাজের দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৬৩ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা। ১৪১ বলে ১০৯ রানের অপরাজিত ইনিংসে ১১টি চার ও ৪টি ছক্কা মেরেছিলেন তিনি। শান্ত ৩৭, সাদমান ৩১ এবং মুমিনুল ১৬ রান করেন।
বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস গুটিয়ে দেওয়ার নায়ক ছিলেন কোরি রকিচোলি। ২৪ ওভারে ৮৩ রান দিয়ে নেন ৬ উইকেট।
জবাবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ ৩৫৫ রান করে। টিগ উইলি খেলেন ১৭৭ বলে ১৩০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস। জ্যাক ডোরান করেন ৭৬, কার্টিস প্যাটারসন ৫৩ এবং জ্যাক ক্লেটন ৪৮ রান।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে হাসান মাহমুদ ৪২ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন। তাসকিন ও মিরাজ নেন দুটি করে উইকেট। সূত্র: যুগান্তর
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি