বরেণ্য সুরস্রষ্টা আলাউদ্দিন আলীর শারীরিক অবস্থা সঙ্কটাপন্ন
বাংলাপ্রেস বিনোদন দপ্তর : বরেণ্য সুরস্রষ্টা আলাউদ্দিন আলী রাজধানীর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন। বিষয়টির নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী।
তিনি জানান আজ সকাল ৮.৩০ মিনিট থেকে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। ডা. আশীষ বলেন, ‘আমরা সবাই বেশ আন্তরিকতা নিয়ে তার দ্রুত সুস্থতার জন্য চেষ্টা করছি। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থা খুব সঙ্কটাপন্ন। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’ তার নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে। মঙ্গলবার অবস্থা খারাপ হওয়ায় রাত ১২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আইসিইউতে থাকলেও অবস্থা এখন উন্নতির দিকে। জানা যায়, তার নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা রয়েছে।
গত মঙ্গলবার অবস্থা খারাপ হওয়ায় রাত ১২টার দিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৯৫২ সালের ২৪ ডিসেম্বর, মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরের টঙ্গিবাড়ী থানার বাঁশবাড়ী গ্রামে জন্মগগ্রণ করেন আলাউদ্দিন আলী। তার বাবা ওস্তাদ জাদব আলী, মায়ের নাম জোহরা খাতুন। আলাউদ্দিন আলীর সংগীতে প্রথম হাতেখড়ি ছোট চাচা সাদেক আলীর কাছে। পরে ১৯৬৮ সালে যন্ত্রশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রজগতে পা রাখেন আলাউদ্দীন আলী। শুরুটা শহীদ আলতাফ মাহমুদের সহযোগী হিসেবে, পরে প্রখ্যাত সুরকার আনোয়ার পারভেজের সঙ্গেই দীর্ঘদিন কাজ করেন তিনি।
চলচ্চিত্রে কাজ করে ৮ বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয় করেছেন তিনি। তার হাত ধরে এসেছে ‘সূর্যোদয়ে তুমি, সূর্যাস্তেও তুমি ও আমার বাংলাদেশ’, ‘কেউ কোনো দিন আমারে তো কথা দিল না’, ‘প্রথম বাংলাদেশ, আমার শেষ বাংলাদেশ’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো’, ‘যেটুকু সময় তুমি থাকো কাছে, মনে হয় এ দেহে প্রাণ আছে’, ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসতো’, ‘বন্ধু তিন দিন তোর বাড়ি গেলাম দেখা পাইলাম না’, এই দুনিয়া এখনতো আর সেই দুনিয়া নাই, দুঃখ ভালোবেসে প্রেমের খেলা খেলতে হয় ইত্যাদি জনপ্রিয় গান।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
বিজয়কে দেখে মুগ্ধ সামান্থা, ‘শুধু পর্দার নায়ক নন, পরিবর্তনেরও নেতা’
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনেত্রী নীলার ছবি ফাঁসের অভিযোগ, নেটদুনিয়ায় তোলপাড়
সঙ্গীত একাডেমি