১৮ জুন ২০২৬

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ, মুগ্ধ সামান্থা বললেন ‘তিনি আরও বড় দায়িত্বের জন্যই জন্মেছেন’

বিজয়কে দেখে মুগ্ধ সামান্থা, ‘শুধু পর্দার নায়ক নন, পরিবর্তনেরও নেতা’

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম
বিজয়কে দেখে মুগ্ধ সামান্থা, ‘শুধু পর্দার নায়ক নন, পরিবর্তনেরও নেতা’

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: 

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় জুটি থালাপতি বিজয় ও সামান্থা রুথ প্রভুর বন্ধুত্ব ও কাজের সম্পর্ক বহুদিনের। একসঙ্গে তিনটি সুপারহিট সিনেমায় অভিনয় করা এই দুই তারকা এবার দেখা করলেন ভিন্ন এক প্রেক্ষাপটে। কারণ এরই মধ্যে বিজয় তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

বুধবার চেন্নাইয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিজয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সামান্থা। সেখানে তারা কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি চলচ্চিত্র ও রাজ্যের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। সাক্ষাৎ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে বিজয়ের প্রশংসায় দীর্ঘ বার্তা প্রকাশ করেন অভিনেত্রী।

সামান্থা লিখেছেন, “আমার সবসময়ই মনে হয়েছে, বিজয় স্যার শুধু পর্দার নায়ক হয়ে থাকার জন্য তৈরি হননি। তার প্রাণশক্তি, ব্যক্তিত্ব এবং মানুষের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের ক্ষমতা আমাকে বারবার মনে করিয়েছে, তিনি আরও বড় কোনো দায়িত্ব পালনের জন্যই জন্মেছেন।”

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের নতুন যাত্রাকে সাহসী সিদ্ধান্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যে অঙ্গনে আপনি সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছেন, সেটি ছেড়ে এমন এক চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা, যেখানে ঝুঁকি অনেক বেশি—এটার জন্য বিপুল সাহস লাগে। সহজ বলে নয়, বরং পরিবর্তন আনার বিশ্বাস থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়।”

সামান্থার বিশ্বাস, জনগণের প্রত্যাশার প্রতিদান দিতে সক্ষম হবেন বিজয়। দায়িত্ব পালনে তার নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা তামিলনাড়ুর মানুষকে ইতিবাচকভাবে চমকে দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উল্লেখ্য, সামান্থা ও বিজয় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন ২০১৪ সালের ‘কাত্থি’, ২০১৬ সালের ‘থেরি’ এবং ২০১৭ সালের ‘মেরসাল’ সিনেমায়। তিনটি ছবিই বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পেয়েছিল।

এদিকে সামান্থা বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন তার নতুন সিনেমা ‘মা ইন্তি বেঙ্গারাম’-এর প্রচারণা নিয়ে। ছবিটি আগামী শুক্রবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি