৮ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে মদখোরের চেয়ে গাঁজাখোরের সংখ্যা বেশি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রে মদখোরের চেয়ে গাঁজাখোরের সংখ্যা বেশি
নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রে ৩৮ অঙ্গরাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসির স্বাস্থ্য বিভাগ গাঁজাকে বৈধ ঘোষণার পর গাঁজাখোরদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে মদখোরের চেয়ে ৩০ লাখ গাঁজাখোর বেশি বলে নতুন গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। দৈনন্দিন জীবনে অ্যালকোহলের তুলনায় গাঁজার ব্যবহার বেশি করছে আমেরিকানরা। গত (২২ মে) বুধবার পিয়ার-রিভিউ জার্নাল অ্যাডিকশনে প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২২ সালের উপাত্ত অনুসারে প্রায় ১ কোটি ৭৭ লাখ মানুষ নিয়মিত গাঁজা সেবন করেছে। আর মদপান করেছে ১ কোটি ৪৭ লাখ মানুষ। মাদক ব্যবহারের ওপর জাতীয় সমীক্ষার চার দশকের বেশি সময়ের ডেটার ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রথমবারের মতো অ্যালকোহলের চেয়ে বেশি গাঁজা সেবনের তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে। গবেষণায় ১৯৭৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ২৭টি সমীক্ষা বিশ্লেষণ করে করা হয়েছে। এতে অংশ নিয়েছেন অন্তত ১৬ লাখের বেশি মানুষ। গবেষণায় দৈনিক বা প্রায় প্রতিদিন গাঁজা ব্যবহারের বৃদ্ধিকে ‘উল্লেখযোগ্য’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। যদিও গাঁজা সেবনের চেয়ে ‘অনেক বেশি মানুষ মদপান করেন’ তবে আমেরিকানদের মধ্যে অতি মাত্রায় মদ্যপানের রেকর্ড খুব কম। ২০২২ সালের সমীক্ষায় দেখা গেছে, মাঝারি মাত্রায় যারা মদপান করেন তারা এক মাসে চার থেকে পাঁচ দিন মদপান করেছেন। তবে গাঁজা সেবন করেছেন মাসে ১৫ থেকে ১৬ দিন। যুক্তরাষ্ট্রে ৩৮ অঙ্গরাজ্য এবং ওয়াশিংটন ডিসিতে মেডিকেল গাঁজাকে বৈধ করেছে। এছাড়াও ২৪টি রাজ্য বিনোদনমূলক গাঁজা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। কার্নেগি মেলন ইউনিভার্সিটির ড্রাগ নীতি গবেষক জোনাথন কল্কিন্স বৃহস্পতিবার বলেছেন, গাঁজা ব্যবহারকারীদের বেশিরভাগই ধূমপান দিয়ে শুরু করে। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা গাঁজার তৈরি অন্যান্য পণ্য ব্যবহারের দিকে ঝুঁকে। গাঁজা বৈধ করায় ব্যবহারকারী বেড়েছে। সেইসঙ্গে দামও কমেছে। সমীক্ষায় আরও বলা হয়েছে, প্রতিদিন গাঁজা সেবনের চেয়ে ধূমপানের জন্য সিগারেটের ব্যবহার বেশি করা হচ্ছে। ২০২২ সালে উপাত্তে দেখা গেছে আগে ১ কোটি ৭৭ লাখ মানুষ ধূমপান করতো এখন ২ কোটি ৪১ লাখ মানুষ ধূমপান করেন। বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি