৪ মে ২০২৬

যে কারণে আইপিএলে খেলতে পারছেন না মোস্তাফিজ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
যে কারণে আইপিএলে খেলতে পারছেন না মোস্তাফিজ

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   আইপিএল ২০২৬ মৌসুমের আগে বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে না রাখার নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া কোলকাতা নাইট রাইডার্সকে মুস্তাফিজকে ছেড়ে দিতে বলেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। কয়েক দিন ধরে চলা জল্পনার এখানেই অবসান হলো।

গত ডিসেম্বর আইপিএল ২০২৬ মিনি নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে নেয় কেকেআর। নিলামের পরপরই বিষয়টি আলোচনায় আসে। এরপর রাজনৈতিক মহল ও কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠীর আপত্তিতে বিতর্ক বাড়তে থাকে। সময়ের সঙ্গে সেই প্রতিক্রিয়া আরও তীব্র হয়।

ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া বক্তব্যে দেবজিৎ সাইকিয়া সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ের সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণে বিসিসিআই কেকেআরকে তাদের একজন খেলোয়াড়, বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমানকে স্কোয়াড থেকে ছাড়তে নির্দেশ দিয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘কেকেআর যদি বিকল্প খেলোয়াড় চায়, বিসিসিআই সেই পরিবর্তনের অনুমতি দেবে।’

কোলকাতায় আইপিএলে বাংলাদেশি খেলোয়াড় খেলানো নিয়ে প্রথম আপত্তি তোলেন বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচি। তিনি বলেন, ‘যদি কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার কোনো আইপিএল দলে খেলে, আর কলকাতার মাটিতে ম্যাচ খেলতে চায়, সেটা আমরা হতে দেব না। আমরা শাহরুখ খানকেও কলকাতায় ঢুকতে দেব না। মোস্তাফিজুর রহমানের মতো বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা এখানে খেলে টাকা আয় করবে, ওদিকে অন্য বাংলাদেশিরা অস্ত্র সরবরাহ করবে, আর আমাদের হিন্দু ভাইয়েরা এই অস্ত্রে মারা যাবে, দুটো একসাথে চলতে পারে না।’

এরপর বিভিন্ন দিক থেকে সমালোচনা ক্রমেই বাড়তে থাকে। একাধিক উগ্রবাদী গোষ্ঠী হুমকি দিচ্ছিল কলকাতা ও আইপিএল কর্তৃপক্ষকে। এমনকি কেকেআরের সহ-মালিক শাহরুখ খানের দিকেও আঙুল তোলা হয়। তারপরই মোস্তাফিজকে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটল।

বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ যদিও সরাসরি এই রাজনৈতিক চাপের কথা উল্লেখ করেননি। তবে শেষ কিছু দিনের ঘটনাপ্রবাহ আর শেষের এই নির্দেশ বলছে, রাজনৈতিক চাপের সামনেই নতি স্বীকার করেছে ভারতীয় বোর্ড।

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি