১৮ জুন ২০২৬

ভোজিনিয়ার খেলা সরাসরি দেখবেন তার মা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:১৮ এএম
ভোজিনিয়ার খেলা সরাসরি দেখবেন তার মা

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  ফুটবল বিশ্বকাপে এবার এক মানবিক ও আবেগঘন গল্প দেখতে যাচ্ছে দুনিয়া। এই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই লাইমলাইটে চলে আসা কেপ ভার্দের গোলকিপার ভোজিনহার স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে।

শক্তিশালী স্পেনের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য সব সেভ করে গোলশূন্য ড্রয়ের নায়ক বনে যাওয়া এই ৪০ বছর বয়সী তারকার দুঃখ ছিল—গ্যালারিতে বসে তার এই মহাকাব্যিক লড়াই উপভোগ করতে পারেননি তার মা। তবে মাঠের সেই আকুতি এবার ছুঁয়ে গেছে খোদ মার্কিন প্রশাসনকে। 
যুক্তরাষ্ট্রের হাউজের মাইনরিটি লিডার হাকিম জেফরিস বুধবার (১৭ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন যে, ভোজিনহার মা আনা কান্দিদা এভোরা অবশেষে আমেরিকার ভিসা পেয়েছেন এবং আগামী রবিবার (২১ জুন) উরুগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের আগেই মায়ামিতে ছেলের সঙ্গে তার পুনর্মিলন হতে যাচ্ছে।

বিশ্বকাপের অন্যতম শীর্ষ ফেভারিট স্পেনের বিপক্ষে যখন পুঁচকে কেপ ভার্দে মাঠে নেমেছিল, সবাই ভেবেছিল গোলবন্যা ভাসবে তারা।

কিন্তু চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে স্প্যানিশ আক্রমণভাগকে একাই স্তব্ধ করে দেন ভোজিনহা। 

ম্যাচ শেষে এক আবেগঘন সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আমেরিকার ভিসার বন্ড পেমেন্টের বিপুল খরচের কারণে তার মা ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে আসতে পারেননি। এই খবরটি নজরে আসার পরই মার্কিন রাজনৈতিক অঙ্গনে তোলপাড় শুরু হয়। ডেমোক্রেট নেতা হাকিম জেফরিস সরাসরি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কাছে ভোজিনহার মায়ের মানবিক ভিসার জন্য জরুরি সুপারিশ করেন।

সেই অনুরোধে সাড়া দিয়ে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট ভোজিনহার মায়ের ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত ফি মওকুফ করে দিয়েছে এবং মায়ামিতে কেপ ভার্দের পরবর্তী ম্যাচের আগেই তাকে গ্যালারিতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সমস্ত ট্রাভেল অ্যারেঞ্জমেন্ট বা যাতায়াত ব্যবস্থার দায়িত্ব নিয়েছে।

রবিবার গ্রুপ ‘এইচ’-এর ম্যাচে উরুগুয়ের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে কেপ ভার্দে। এবার গ্যালারিতে মায়ের আশীর্বাদী হাত আর অনুপ্রেরণা মাথায় নিয়ে মায়ামির মাঠে ভোজিনহা আরো এক রূপকথা লিখতে পারেন কি না, তা দেখতে মুখিয়ে আছে পুরো ফুটবল বিশ্ব। 

বিপি>টিডি

 


 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি