৯ আগস্ট ২০২৬

ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা-জ্বর থেকে সুরক্ষায় কালোজিরা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা-জ্বর থেকে সুরক্ষায় কালোজিরা
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ভাইরাসজনিত ঠাণ্ডা-জ্বর থেকে সুরক্ষায় কিছু উপাদান রয়েছে যা এ সময় খুব বেশি কাজ করে। এসব খেলে ঠাণ্ডা-জ্বর ভালো হয়ে যায়। এমন একটি উপকারি মসলা হচ্ছে কলোজিরা। এ সময় খেতে পারেন কালোজিরা। কালোজিরা ঠাণ্ডা সারাতে সবচেয়ে ভালো কাজ করে। এছাড়া চায়ের সঙ্গে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগের উপকার হয়। মসলা হিসেবে কালোজিরার চাহিদা অনেক। কালোজিরার বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়। যা মানব শরীরের জন্য খুব উপকারি। এতে আছে ফসফেট, লৌহ, ফসফরাস। এছাড়া এতে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধক কেরটিন, বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান এবং অম্ল রোগের প্রতিষেধক। আসুন জেনে নেই কালো জিরার ঔষধি গুণ- জ্বর-খুসখুসে কাশি দূর করে জ্বর, ও খুসখুসে কাশি, গায়ের ব্যথা দূর করার জন্য কালোজিরা ভীষণ উপকারী। এতে রয়েছে ক্ষুধা বাড়ানোর উপাদান। পেটের যাবতীয় রোগজীবাণু ও গ্যাস দূর করে ক্ষুধা বাড়ায়। সংক্রামক রোগ কালোজিরায় রয়েছে অ্যান্টিমাইক্রোরিয়াল এজেন্ট, অর্থাৎ শরীরের রোগজীবাণু ধ্বংসকারী উপাদান। এ উপাদানের জন্য শরীরে সহজে ঘা, ফোঁড়া, সংক্রামক রোগ (ছোঁয়াচে রোগ) হয় না। উচ্চ রক্তচাপ কালোজিরা নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি এবং উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাসের মাধ্যমে শরীরে রক্তচাপ এর স্বাভাবিক মাত্রা সুনিশ্চিত করতে সহায়তা করে। ডায়াবেটিক কালোজিরা ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তের শর্করা কমিয়ে ডায়াবেটিক নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে। চুলপড়া বন্ধ করে কালোজিরা চুলের গোড়ায় পুষ্টি পৌঁছে দিয়ে চুলপড়া বন্ধ করে এবং চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। কালোজিরা মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণশক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। ক্যানসার প্রতিরোধক অরুচি, উদরাময়, শরীর ব্যথা, গলা ও দাঁতের ব্যথা, মাইগ্রেন, চুলপড়া, সর্দি, কাশি, হাঁপানি নিরাময়ে কালোজিরা সহায়তা করে। ক্যানসার প্রতিরোধক হিসেবে কালোজিরা সহায়ক ভূমিকা পালন করে। মেদ কমায় চায়ের সঙ্গে নিয়মিত কালোজিরা মিশিয়ে অথবা এর তেল বা আরক মিশিয়ে পান করলে হৃদরোগে যেমন উপকার হয়, তেমনি মেদ ও বিগলিত হয়। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি