তীব্র শীতের মধ্যে ১২ ঘণ্টা ধরে ভিজলেন সাবা
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: তীব্র শীতে আচ্ছন্ন গোটা দেশ। এ অবস্থায় গরম জামা-কাপড় ছাড়া যেখানে ঘর থেকে বের হওয়াই দায়, সেখানে তীব্র শীতের মধ্যে টানা ১২ ঘণ্টা ধরে ভিজলেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা।
দেশের জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী বর্তমানে অভিনয় করছেন অরুণা বিশ্বাস পরিচালিত ‘অসম্ভব’ সিনেমায়। গত ২ ও ৩ জানুয়ারি সিনেমাটির একটি গানের শুটিং হয় মানিকগঞ্জে। গানটি হলো রবীন্দ্রনাথের ‘আজি ঝর ঝর মুখর বাদল দিনে’। আর এই গানটির দৃশ্যয়নে ঝুম বৃষ্টিতে ভিজতে হয় সিনেমার রেখা তথা সোহানা সাবাকে। যার জন্য ব্যবহার করা হয় রেইন মেশিন।
এদিকে তীব্র শীতে টানা দুই দিনে ১২ ঘণ্টা ভিজে এই অভিনেত্রীর অবস্থা কাহিল। ঠাণ্ডায় গলা বসে গেছে তার। হাঁচি, কাশি এবং মৃদু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। তারপরও কাজটি ঠিকমতো করতে পেরে খুশি তিনি।
সাবা বলেন, ‘অনেকেই বলে অভিনয় করা সবচেয়ে সহজ! হ্যাঁ, অবশ্যই সহজ কাজ যখন আপনি ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ১২ ঘণ্টা ধরে ভিজবেন একটি তিন মিনিটের গানের জন্য এই শীতের রাতে।’
অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘সারাদেশে এখন কী পরিমাণ শীত পড়ছে তা সবারই জানা। কিন্তু সিনেমার এই গানটির চিত্রায়নের প্রয়োজনে টানা ১২ ঘণ্টা ধরে তীব্র শীতের মধ্যে ভিজেছি। তখন তাপমাত্রা ছিলো প্রায় ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টি দেখানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে রেইন মেশিন।’
‘তারপরও কাজটি করতে পেরে আমি খুব আনন্দিত। কারণ সিনেমার পরিচালক গুণী অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস আমাকে খুব সাহায্য করেছেন। হিট মেশিনে বারবার শরীর উষ্ণ করার চেষ্টা করেছেন। টাওয়েল জড়িয়ে দিয়েছেন। শুটিংয়ের এই দিনটির কথা আমার দীর্ঘদিন মনে থাকবে। দর্শকরাও কাজটি পছন্দ করবেন বলে বিশ্বাস।’ -যোগ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, যাত্রাশিল্পীদের গল্প নিয়ে তৈরি হচ্ছে সিনেমাটি। এর মূল গল্প লিখেছেন অরুণা বিশ্বাসের ভাই প্রসূন বিশ্বাস মিঠু। সংলাপ রচনা করেছেন প্রসূন বিশ্বাস মিঠু ও মুজতবা সউদ।
সোহানা সাবা ছাড়াও এ সিনেমায় অভিনয় করছেন আবুল হায়াত, অরুণা বিশ্বাস, শতাব্দী ওয়াদুদ, গাজী আবদুন নূর, শাহেদ, স্বাগতা, জ্যোৎস্না বিশ্বাস প্রমুখ। চলতি মাসেই সিনেমাটির শুটিং শেষ হওয়ার কথা। এরপরই এটি মুক্তির জন্য প্রস্তুত করা হবে।
বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি