২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টানা বৃষ্টিতে ভাসছে ব্যাংকক, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৩ এএম
টানা বৃষ্টিতে ভাসছে ব্যাংকক, জরুরি অবস্থা ঘোষণা

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: টানা ৪৮ ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নগরীর ৫০টি জেলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। দেওয়া হয়েছে বাসিন্দাদের প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শও।  

এ সময় থাইল্যান্ডে সাধারণত বজ্রসহ বৃষ্টি হলেও সাম্প্রতিক দিনের অস্বাভাবিক ভারী বর্ষণে ব্যাংককের পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা কার্যত চাপের মুখে। ফলে এরই মধ্যে যানজটপূর্ণ শহরের সড়কগুলোতে তৈরি হয়েছে তীব্র ভোগান্তি।

আবহাওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রোববার পর্যন্ত বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে শহরের আরও কিছু খালের পানি বিপৎসীমা ছাড়িয়ে তীর উপচে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

শহরের কেন্দ্রের উত্তরে একটি খালের পাশে বসবাসকারী ৬৭ বছর বয়সী সোমকিত ফুক-গাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘পানি ক্রমেই ঘরে ঢুকছে। এখন বাইরে বের হওয়াও কঠিন। পানি প্রায় কোমর পর্যন্ত উঠে গেছে। আমি কোথাও যেতে পারছি না। দুই দিন ধরে দোকানও বন্ধ।’

তিনি বলেন, ২০১১ সালের ভয়াবহ বন্যার সময়ের চেয়েও এবার ব্যাংককের পানির পরিস্থিতি খারাপ মনে হচ্ছে। ওই বন্যায় থাইল্যান্ডজুড়ে কয়েক শ মানুষ মারা গিয়েছিলেন এবং তিন মাস ধরে চলেছিল দুর্যোগ পরিস্থিতি। তবে এবারের বন্যায় এখন পর্যন্ত ব্যাংককে কোনো প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

থাই আবহাওয়া বিভাগ চলতি সপ্তাহজুড়ে আরও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির জন্য দায়ী নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে মধ্য থাইল্যান্ডের দিকে সরে যাওয়ার কথা রয়েছে।
 

ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন্ট জানিয়েছেন, নগরীর পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি এখনো হচ্ছে এবং আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। পানি পাম্প করে বের করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু খালগুলোও পানিতে পূর্ণ। সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছেন খালের পাশে বসবাসকারীরা। এখন প্রায় সব খালই পানিতে ভরে গেছে।’

পরিস্থিতি আরও অবনতির আশঙ্কায় নগর কর্তৃপক্ষ পানি নিষ্কাশন ও উদ্ধার তৎপরতা জোরদার করেছে।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি