
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন হেফাজতে ইসলামের নেতারা। কিন্তু বৈঠক শেষে বৈঠকের বিষয় বস্তু সম্পর্কে কোন কিছুই বলেনি হেফাজত নেতারা।
সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাত দশটার দিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসায় প্রবেশ করেন হেফাজতের নেতারা। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে চলে এ বৈঠক।
হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদীর নেতৃত্বাধীন দশ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ধানমণ্ডির বাসভবনে বৈঠকে বসেন বলে জানা যায়।
বৈঠকে অংশ নেওয়া হেফাজতের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে আছেন দলটির নায়েবে আমীর মাওলানা আতাউল্লাহ হাফেজী, হেফাজতের মহাসচিব নূরুল ইসলাম জেহাদী, মামুনুল হকের ভাই বেফাকের মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক, অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান (দেওনার পীর), মাওলানা হাবিবুল্লাহ সিরাজী প্রমুখ।
মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভের ডাক দেয় হেফাজতে ইসলাম। বিক্ষোভ পরবর্তীতে রূপ নেয় সহিংসতায়। ডাক দেয়া হয় হরতালের। দেশব্যাপী চালানো হয় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ। এ বিক্ষোভ ও সহিংসতায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে।
হরতাল ও সহিংসতার রেশ না কাটতেই হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ মামুনুল হকের রিসোর্টকাণ্ড। বেরিয়ে আসে নারী কেলেঙ্কারীর ঘটনা। এরপর মামুনুল হককে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। বর্তমানে ১৭টি মামলা মাথায় নিয়ে ৭ দিনের রিমান্ডে রয়েছেন মামুনুল হক। মামুনুল হক ছাড়াও গ্রেপ্তার হয়েছেন হেফাজতের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা।
ধারণা করা হচ্ছে গ্রেপ্তার ও মামলা এড়াতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন কোণঠাসা হয়ে পড়া হেফাজতের নেতারা।
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]