১৯ জুন ২০২৬

স্বাস্থ্য-শিক্ষামন্ত্রীসহ ভারতে ১২ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
স্বাস্থ্য-শিক্ষামন্ত্রীসহ ভারতে ১২ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্ত্রিসভায় রদবদলের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন ও প্রতিমন্ত্রী অশ্বিন চৌবেসহ অন্তত ১২ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। বুধবার মন্ত্রিসভায় রদবদলের আগেই হেভিওয়েট ওই মন্ত্রীরা পদত্যাগ করেছেন বলে খবর দিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। এ বছরের মার্চের মাঝামাঝি থেকে ভারতে দৈনিক করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে। পরে এপ্রিল-মে মাসে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করে। এপ্রিল থেকে জুনের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত দেশটিতে প্রতিদিন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তিন থেকে ৪ লক্ষাধিক মানুষ। দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও ছিল ৪ হাজারের বেশি। এই পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলায় ভারতের ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) নেতৃত্বাধীন সরকারের ভূমিকা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয় অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। চলমান এই সমালোচনার মধ্যেই বুধবার পদত্যাগ করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধন এবং একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অশ্বিন চৌবে। এছাড়া দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্ক এবং শ্রমমন্ত্রী সন্তোষ গাংওয়ারও পদত্যাগ করেছেন। এই তালিকায় আরও আছেন কেন্দ্রীয় রাসায়নিক ও সারবিষয়ক মন্ত্রী সদানন্দ গৌদা, নারী ও শিশু কল্যাণবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সঞ্জয় ধোর্তে, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, ভোক্তা কল্যাণবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রাও সাহেব ধানবে পাতিল এবং জলশক্তিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রতন লাল কাটারিয়া। এনডিটিভি বলছে, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালে তা প্রতিরোধে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার কোন সদস্যের ভূমিকা কেমন ছিল সে বিষয়ে সম্প্রতি একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছেন দেশটির স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। প্রধানমন্ত্রীর দফতরে সেই প্রতিবেদন জমাও দিয়েছেন তারা। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি