৮ মে ২০২৬

সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার পুতিন কন্যা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার পুতিন কন্যা
বাংলাপ্রেস ডেস্কঃ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের স্ত্রী বা সন্তান নিয়ে কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না। তবে সম্প্রতি পিটার্সবার্গে অধ্যায়নরত একজন ১৮ বছর বয়সী তরুণীকে রুশ প্রেসিডেন্টের কন্যা হিসেবে দাবি করা হচ্ছে নেট মাধ্যমে। বলা হচ্ছে, পুতিনের অবৈধ সম্পর্কের জেরেই তার জন্ম। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই তাই লুইজা রোজোভা নামের এই তরুণীর ওপর ক্ষিপ্ত সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা। ভয়ানক ট্রলিংয়ের মুখে নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টই সরিয়ে ফেলেছেন তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই তরুণীর মায়ের নাম শ্বেতলানা ক্রিভোনোগিখ। রাশিয়ার অন্যতম ধনী নারী তিনি। কথিত আছে, এক সময় এই নারীর সাথেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল পুতিনের। সেই সূত্রে লুইজা পুতিনেরই সন্তান। যদিও এ নিয়ে আজ পর্যন্ত রুশ প্রেসিডেন্ট যেমন মুখ খোলেননি, তেমনই মুখে কুলুপ এঁটেছেন লুইজা ও তার মা শ্বেতলানা। তবে একবার লুইজা বলেছিলেন, ‘আমাকে দেখতে ঠিক কম বয়সী পুতিনের মতো’। এরপর থেকেই আলোচনায় থাকতেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ সক্রিয় লুইজা। তবে যুদ্ধ শুরু হওয়ার কিছুদিন আগে থেকে হঠাৎই সোশ্যাল মিডিয়ায় আনাগোনা বন্ধ হয় তার। ইনস্টাগ্রামে লুইজার সর্বশেষ পোস্ট প্রায় পাঁচ মাস আগে ২০২১ সালের অক্টোবরে। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর থেকেই লুইজার শেষ পোস্টেই যেনো হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ব্যবহারকারীরা। প্রতিনিয়ত ট্রলিংয়ের শিকার হচ্ছেন তরুণী। কেউ ওই পোস্টের নিচে মন্তব্য করছেন, আপনার বাবার জন্যই ইউক্রেনে এতো মানুষ মারা যাচ্ছে। কেউ আবার ইউক্রেনীয়দের পাশে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছেন লুইজাকে। কেউ আবার আক্রমণ করে বলছেন, এখন ইঁদুরের মতো কোনো বাঙ্কারে লুকিয়ে আছেন নাকি? ট্রলিংয়ের জেরে অবশেষে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টই ডিলিট করে দিয়েছেন লুইজা। অবশ্য লুইজার সমর্থনেও কথা বলছেন কেউ কেউ। তাদের মন্তব্য, একজন উন্মাদ বাবার কর্মকাণ্ডের জন্য ওনার তো দোষ নেই। অন্য এক জনের অনুরোধ, ওনাকে শুধু শুধু কাঠগড়ায় তুলবেন না। বিপি/আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি