১৯ জুন ২০২৬

সৈয়দপুরে ভূয়া এনজিওর নামে নিয়োগ বাণিজ্য

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
সৈয়দপুরে ভূয়া এনজিওর নামে নিয়োগ বাণিজ্য

এম আর আলী টুটুল, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি : সৈয়দপুরে ভূয়া এনজিও’র নিয়োগের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে শফিকুল নামের এক প্রতারক।

জানা যায়, কামারপুকুর আইসঢাল এলাকার শফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন চাকরীর নিয়োগ পরীক্ষার নামে প্রার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষা ফিস বাবদ টাকা আদায় করে আসছে। গত ২৯ নভেম্বর ইসলামিয়া স্কুলে নেওয়া হয় এমনি একটি নিয়োগ পরীক্ষা। প্রায় শতাধিক প্রার্থী পরীক্ষা দেয় পরিদর্শক ও শিক্ষিকা পদের জন্য। প্রত্যেকের কাছ থেকে নেওয়া হয় ২৫০ থেকে ১ হাজার টাকা। স্থানীয় একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় প্রায় এক মাস আগে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ২টি মোবাইল নম্বর দেওয়া হয় যোগাযোগের জন্য। পরীক্ষার তারিখ উল্লেখ না থাকায় প্রার্থীরা মোবাইলে যোগাযোগ করে। ঢাকা আহসানিয়া মিশনের শিশু শিক্ষা প্রকল্প নামে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সরে জমিনে গিয়ে ওই স্কুলে শফিকুল ইসলাম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান ঢাকা আহসানিয়া মিশন এর শিশু শিক্ষা প্রকল্পের জন্য স্থানীয় পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। তারই জন্য এই পরীক্ষা। লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় যারা টিকবে শুধু তাদেরই নেওয়া হবে। পরীক্ষার ফিস বাবাদ ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে তিনি শিকার করেন। আহসানিয়া মিশন ও উপজেলা শিক্ষা অফিস কিংবা ইউএনও এর কোন অনুমতি পত্র দেখাতে না পারায় প্রতারক শফিকুল কথা বলতে বলতে দৌড় দিয়ে পালিয়ে যায়। পরীক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, আমরা বিজ্ঞপ্তি দেখে পরীক্ষা দিতে এসেছি। আমাদের কাছ থেকে ২৫০-১০০০ টাকা নেয় ওই শফিকুল। এর আগেও একই বিজ্ঞপ্তির নিয়োগ পরীক্ষা ৪ বার অনুষ্ঠিত হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কারও চাকুরী হয়নি। আমরা প্রশ্ন করেছি কিন্তু তিনি (শফিকুল) জানান যোগ্য প্রার্থী পাচ্ছি না বলে বার বার পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উল্লেখিত এনজিও’র সৈয়দপুরে কোথাও অফিস নেই।  বেকারত্বের সুযোগ নিয়ে শফিকুলসহ অন্যান্য প্রতারকদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবী করেছেন সচেতন মহল।

বাংলাপ্রেস/আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি