সৈয়দপুরে ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর বাল্য বিবাহ !
রমজান আলী টুটুল, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি: সারা দেশের ন্যায় নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা প্রশাসন বাল্য বিবাহ বন্ধে কঠোর ভূমিকায় রয়েছেন। কিন্তু এর পরও এই উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে আয়েশা সিদ্দিকা নামের এক অষ্টম শ্রেণিতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীকে বিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ মিলেছে। গত ৫ অক্টোবর এই বাল্য বিবাহটি সম্পন্ন হয়েছে উপজেলার কাশিরাম বেল পুকুর ইউনিয়নের হুগলী পাড়ায়। এ নিয়ে বিষয়টি তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবী জানান এলাকাবাসী।
অভিযোগে জানা যায়, কাশিরাম বেল পুকুর ইউনিয়নের হুগলিপাড়ার অহেদ আলী সরকারের ছেলে আশেদুল ইসলাম একই ইউনিয়নের হাজারীহাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যায়নরত অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী, কামারপুকুর কুজিপুকুর গ্রামের আকবর আলীর মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকাকে বিয়ের কথা বলে ৩ অক্টোবর অপহরণ করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে ছাত্রীর বাবা অপহরনকারী যুবক আশেদুলের সাথেই তার মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার কৌশল অবলম্বন করে তাদের হাজির হওয়ার চাপ দেয়। এক পর্যায়ে ৫ অক্টোবর তারা হাজীর হলে এলাকায় এক শালিসী বৈঠক হয়। সেখানে ছাত্রীটির বাবা আয়েশা সিদ্দিকাকে অপহরণকারী যুবকের শাস্তি দাবী করলেও শালিসী উপস্থিত থাকা কামারপুকুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন কাজী রোস্তমকে ডেকে জোরপূর্বক বিয়ের কাজ সম্পন্ন করেন। এই বিয়ের আসরে অন্যন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, খাতামধুপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জুয়েল চৌধুরীর ঘনিষ্ট সহচর মোঃ ঝন্টু সহ বেশ কয়েকজন অর্থলোভী ব্যক্তিবর্গ।
এ বিষয়ে কাজী রোস্তম আলী জানান, বাল্য বিয়েটি সম্পন্ন করতে তিনি রাজি ছিলেন না। কামারপুকুর ইউপি চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন তাকে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করতে বাধ্য করেছেন। তবে ইউপি চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন জানান, বাল্য বিয়ে দেওয়া কাজী রোস্তমের পুরনো দিনের অভ্যাস। এই বাল্য বিয়েতে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানান তিনি।
বাংলাপ্রেস/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি