সৈয়দপুরে আ. লীগের হামলার শিকার যুবদল নেতা
এম আর আলী টুটুল, সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি : ইউনিয়ন যুবদলের নেতাকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে আওয়ামীলীগ সমর্থিত কয়েকজন।গুরুত্বর আহত অবস্থায় তাকে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ৩০ জুন সন্ধ্যায় পার্বতীপুর উপজেলার বেলাইচন্ডি ইউনিয়নের চাকলা বাজার এলাকায়। অভিযোগে জানা যায়, বেলাইচন্ডি ইউনিয়নের সোনাপুুকুর হচুপাড়া গ্রামের আব্দুল বারী প্রামাণিকের ছেলে ও বেলাইচন্ডি ইউনিয়নের যুব দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিনুল ইসলাম জামু বিএনপির রাজনৈতিক দল করায় তাকে দীর্ঘদিন থেকে হুমকি দিয়ে আসছিল সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মৃত মাহাতাব উদ্দিনের ছেলে মঞ্জু, মিন্টু ও মুকুল।
জামুর দোষ সে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তাদের সাথে পূর্বের কোন শত্রুতা ছিল না। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় চাকলা বাজার রাস্তায় চলার পথে জামুকে একা পেয়ে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মুকুল,মঞ্জু, মিন্টু, জাহিদুলের ছেলে পলাশ, আফাজের ছেলে সাদেক, গোল্ডেনের ছেলে মঞ্জু,হেচান এর ছেলে জামিদুল সহ অজ্ঞাত নামা কয়েকজন তুলে নিয়ে তাদের বাড়ীর কাছে চাকলা বাজার স্থানীয় আওয়ামীলীগ অফিসে চাপাতি, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারডাং শুরু করেন। এক পর্যায়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।
খবর পেয়ে তার পিতা এগিয়ে আসলে তাকেও মারডাং করে আহত করা হয়। এসময় জামুকে হত্যার হুমকি দিয়ে ১০০ টাকার নন জুডিশিয়াল ষ্টাম্পে স্বাক্ষর নেয় উল্লেখিত ব্যক্তিরা। পরে পুলিশ এসে জামুকে উদ্ধার করে। জামুকে গুরুত্বর আহত অবস্থায় সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সে বর্তমানে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। তার মাথায় ও গালে একাধিক সেলাই দেওয়া হয়েছে।
তবে সে অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন। উল্লেখিত ব্যক্তিরা এলাকার প্রভাবশালী ও ভয়ংকর প্রকৃতির লোক। তারা পারে না এমন কোন কাজ নেই। তারা আওয়ামীলীগকে ব্যবহার করে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিভিন্নভাবে পরিবারটিকে হুমকি দিচ্ছে। তাদের হুমকিতে পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে জামু ওই সব ব্যক্তিদের নামে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আন্তরিকতার সঙ্গে দেশসেবা করতে নবীন সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি