৮ মে ২০২৬

'শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞান অর্জনে, লাশ হতে নয়'

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
'শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে জ্ঞান অর্জনে, লাশ হতে নয়'

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করে জ্ঞান অর্জনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়, লাশ হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য নয়। কর্তৃপক্ষ সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিলে অপ্রত্যাশিত ঘটনা অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব। আশা করব ভবিষ্যতে কর্তৃপক্ষ সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নেবে।

সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে লিখিত বক্তব্যে এসব কথা বলেন রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আচার্য আবদুল হামিদ। এর আগে, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও গবেষকদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ডাকসু (ঢাবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) নেতৃবৃন্দের ব্যাপারে এমন সব কথা শুনি, যেগুলো আমার ভালো লাগে না। এর বেশি বলে আমি কাউকে হেয়-প্রতিপন্ন করতে চাই না। তবে তাদের কর্মকাণ্ড আমার ভালো লাগে না।

আবদুল হামিদ বলেন, তাদের এমন কিছু করা উচিত, যা সাধারণ ছাত্রদের কল্যাণে কাজ করে। সেটা তাদের সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়া উচিত। ডাকসু নির্বাচন করায় ঢাবি উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি।

তিনি বলেন, তবে আপনাকে আমি আরেকটু বলতে চাই, নির্বাচনের সময় কিছু কথা বা অপ্রীতিকর ঘটনা শুনেছি। আমি আশা করব, ভবিষ্যতে যখন আবার ডাকসু নির্বাচন হবে, তখন যাতে করে আরও সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে এই নির্বাচন হয়।

অনুষ্ঠানে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, আজকে আমি সবাইকে বলতে চাই, আমাদের সন্তানদের আমরা সেই শিক্ষা দানের চেষ্টা করি, যে শিক্ষা তাদের মধ্যে যুক্তিবাদিতা, বিবেক ও মানবতাবোধকে জাগ্রত করবে। ফলে তারা ভালো চিন্তা ও কাঙ্ক্ষিত মানবোচিত কাজের সঙ্গে যুক্ত হবে।

উপাচার্য বলেন, দুঃখজনক হলেও সত্য যে, মানুষ অন্য-বস্ত্র-বাসস্থানসহ তথাকথিত উন্নত জীবনের বস্তুগত সামগ্রী অর্জনের নিমিত্তে অধিক মুনাফা লাভের প্রয়োজনীয় বিদ্যালাভের পেছনে যতটা ছুটছে, মানবিকতা উন্নয়নমূলক শিক্ষা বিষয়ে ততটা নয়। আমাদের সামাজিক জীবনের যে অস্থিরতা, তরুণ সমাজের একাংশের যে বিপদগামিতার কথা আজ বলা হচ্ছে, এর অন্যতম কারণ এটি।

তিনি বলেন, প্রিয় স্নাতকবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জিত শিক্ষা ও জ্ঞান নিয়ে বাস্তবতার জীবনে তোমরা প্রবেশ করতে যাচ্ছ। এ পথ বন্ধুর। তবে দুর্লঙ্ঘনীয় নয়। এ পথ পাড়ি দিতে হবে তোমাদের অর্জিত জ্ঞান, বিচক্ষণতা, ধৈর্য ও সৎ সাহস নিয়ে। তবে সুখের কথা হলো, বর্তমানে তোমরা যে কর্মজীবনে প্রবেশ করতে যাচ্ছ, তা এখন আর চরম দারিদ্র্য-পীড়িত ভঙ্গুর অর্থনীতির বাংলাদেশ নয়। গত এক দশকে মাথাপিছু আয় প্রায় চারগুণ বৃদ্ধি পেয়ে এখন দাঁড়িয়ে দুই হাজার ডলারে।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি