৫ মে ২০২৬

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে আর অপেক্ষা নয়: ইউনিসেফ-ইউনেস্কো

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪০ পিএম
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে আর অপেক্ষা নয়: ইউনিসেফ-ইউনেস্কো
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: করোনা মহামারির কারণে বন্ধ থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে আর অপেক্ষা নয় বলে জানিয়েছে ইউনিসেফ ও ইউনেসকো। সোমবার (১২ জুলাই) ইউনিসেফের নির্বাহী পরিচালক হেনরিয়েটা ফোর ও ইউনেসকোর মহাপরিচালক অড্রে অ্যাজুল যৌথ বিবৃতিতে এ কথা জানান। বিবৃতিতে তারা বলেন, করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর ১৮ মাস পেরিয়ে গেছে এবং লাখ লাখ শিশুর পড়াশোনা এখনও ব্যাহত হচ্ছে। আজ অবধি, ১৯টি দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে, যা ১৫ কোটি ৬০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। এটা চলতে পারে না। এতে আরও বলা হয়, সংক্রমণ সীমিত রাখতে সরকারগুলো অনেক সময়ই স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে এবং দীর্ঘকাল সেগুলো বন্ধ রেখেছে। এমনকি মহামারিজনিত পরিস্থিতি যখন এটা দাবি করে না, তখনও। প্রায়শই এই ব্যবস্থাগুলো শেষ উদ্যোগ হিসেবে নেওয়ার বদলে প্রথম উদ্যোগ হিসেবে নেওয়া হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে, স্কুলগুলো বন্ধ রাখা হলেও বার ও রেস্তোরাঁগুলো খোলা ছিল। স্কুলে যেতে না পারার ক্ষতি কখনোই পুষিয়ে নেওয়া যাবে না উল্লেখ করে এতে আরও বলা হয়, শিশুদের ক্ষেত্রে তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি তাদের শিক্ষাগত অর্জন এবং সামাজিক সম্পৃক্ততায় এর প্রভাব পরিলক্ষিত হবে। ‘বাবা-মা এবং যত্নকারীদেরও সমপরিমাণ ক্ষতির ভার বইতে হচ্ছে। শিশুদের ঘরে থাকা বিশ্বজুড়ে বাবা-মায়েদের বাধ্য করছে তাদের চাকরি ছেড়ে দিতে, বিশেষ করে এমন দেশগুলোতে যেখানে পারিবারিক ছুটির নীতিমালা নেই বা সীমিত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার জন্য সংক্রমণ শূন্যের কোঠায় আসার অপেক্ষায় থাকা উচিৎ নয় উল্লেখ্য করে বিবৃতিতে বলা হয়, এটি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত যে, সংক্রমণের প্রধান চালিকাশক্তিগুলোর মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রশমন কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে স্কুলগুলোতে কোভিড-১৯ সংক্রমণের ঝুঁকি সামাল দেওয়া সম্ভব। স্কুল খুলে দেওয়া বা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ঝুঁকি বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এবং যে কমিউনিটিতে স্কুল অবস্থিত সেখানকার মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনা করে নেওয়া উচিত। বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি