৪ মে ২০২৬

সাকিবকে ২ বছর নিষিদ্ধ করলো আইসিসি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
সাকিবকে ২ বছর নিষিদ্ধ করলো আইসিসি

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: এই অপরাধে সাকিবকে অভিযুক্ত করে আইসিসি। অভিযোগ প্রমাণিতও হয়েছে। সাকিব ভুলও স্বীকার করেছেন। তবে ভুল স্বীকার করে নিলেও তাকে দুই বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেটে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। যদিও এই শাস্তির বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাবেন সাকিব।

আইসিসির চোখে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি অবহিত না করাও অপরাধ। সেই অপরাধে যে কোনও ক্রিকেটার বা ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সব ধরনের ক্রিকেটে ৬ মাস থেকে ৫ বছর পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন।

সাকিব নিজের অপরাধ বা ভুল স্বীকার করে নেয়ায় তাকে ২ বছরের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। শাস্তি প্রয়োগ হবে ঘোষণার দিন থেকে অর্থাৎ ২৯ অক্টোবর ২০১৯ তারিখ থেকে থেকে। মেয়াদ অনুযায়ী নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে ২০২১ সালের ২৮ অক্টোবর।

তবে সাকিব আপিল করলে এবং সন্তোষজনক বক্তব্য উপস্থাপন করলে এবং আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী নির্ধারিত কর্মকাণ্ডে অংশ নিলে শাস্তির মাত্রা ১ বছর কমবে। সেক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকবে ১ বছরের।

আর এই সময়ে সাকিব কোনও ধরনের ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না। বাংলাদেশ জাতীয় দল কিংবা ঘরোয়া বা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের কোনও দলের হয়েও খেলতে পারবেন না তিনি।

আইসিসির দুর্নীতি দমন নীতিমালার ২.৪.৪ ধারা অনুযায়ী, কেউ যদি আইসিসির অ্যান্টি করাপশন কোডের অধীন কোনো দুর্নীতিতে জড়ানোর প্রস্তাব পান, সেক্ষেত্রে তার পূর্ণাঙ্গ বিবরণী আইসিসিকে অনতিবিলম্বে জানাতে ব্যর্থ হলে সর্বনিম্ন ৬ মাস এবং সর্বোচ্চ ৫ বছরের নিষেধাজ্ঞা বহনের শাস্তি হতে পারে।

সাকিব আল হাসান বলেছিলেন, “আমি যে খেলাটি পছন্দ করি তাতে নিষেধাজ্ঞার কারণে আমি অবশ্যই অত্যন্ত দুঃখিত, তবে পদ্ধতির প্রতিবেদন না দেয়ার জন্য আমি আমার শাস্তিকে পুরোপুরি মেনে নিয়েছি। আইসিসি ও এসিইউ দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কেন্দ্রীয় অংশ নিতে খেলোয়াড়দের উপর নির্ভরশীল এবং আমি এ ক্ষেত্রে আমার দায়িত্ব পালন করিনি।”

সাকিব আরও বলেন, “বিশ্বের বেশিরভাগ খেলোয়াড় এবং অনুরাগীর মতো আমিও চাই ক্রিকেট একটি দুর্নীতিমুক্ত খেলা হোক এবং আমি আইসিসি এসিইউ দলের সাথে কাজ করার প্রত্যাশায় রয়েছি যাতে তাদের শিক্ষাব্যবস্থা সমর্থন করে এবং তরুণ খেলোয়াড়রা যাতে একই ভুল না করে, যেমনটা আমি করেছি।”

আইসিসি তাদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সাকিবের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনটি ম্যাচে সাকিবের কাছে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল বলে জানতে পেরেছে আইসিসি এবং সে সব বিষয়ে তারা প্রমাণও সংগ্রহ করেছে।

আকসুর ধারা ২.৪.৪ আর্টিকেলের মধ্যেই তিনটি অপরাধ করেছিলেন সাকিব। যেগুলো হচ্ছে- ১. ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে শ্রীলঙ্কা, জিম্বাবুয়েকে নিয়ে বাংলাদেশের যে ত্রিদেশীয় সিরিজ হয়েছিল কিংবা ২০১৮ আইপিএলে প্রথম ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পান সাকিব। কিন্তু এ বিষয়ে তিনি আইসিসির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটকে কোনো কিছুই জানাননি।

২. একই ধারার অধীনে অপরাধ : ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ত্রিদেশীয় সিরিজের সময়ই আরো একটি ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন। কিন্তু সে বিষয়েও তিনি আইসিসিকে অবহিত করেননি।

৩. ২০১৮ সালের ২৬ এপ্রিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের মধ্যকার ম্যাচেও ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন সাকিব। কিন্তু সে বিষয়েও তিনি আইসিসি কিংবা সংশ্লিষ্ট দুর্নীতি দমন সংস্থাকে কিছুই জানাননি।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি