৮ মে ২০২৬

র‍্যাগিং বন্ধ ও আবরার হত্যায় ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চেয়ে রিট

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
র‍্যাগিং বন্ধ ও আবরার হত্যায় ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চেয়ে রিট

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: দেশের সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাগিং বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট আবেদন করা হয়েছে। রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এই রিট আবেদন করেন।

রিটে আওয়ামী লীগের সভাপতি, বিএনপির সভাপতি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন সচিব, অর্থ সচিব, বুয়েটের উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ মোট ১৩ জনকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে র‍্যাগিং বন্ধের নির্দেশনার পাশাপাশি বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৬ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে বুয়েটের সিনিয়র শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের নেতারা।

এ ঘটনায় ৯ অক্টোবর র‌্যাগিং বন্ধ ও এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র সচিব, শিক্ষা সচিব ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান।

সেই নোটিশে প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক সহায়তার জন্য অ্যান্টি র‍্যাগিং কমিটি গঠন এবং মনিটরিংয়ের জন্য অ্যান্টি র‍্যাগিং স্কোয়াড গঠনে সাতদিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। অন্যথায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, অনেক স্বপ্ন আর আশা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসা তরুণদের স্বপ্ন সিনিয়রদের র‍্যাগিংয়ের কারণে শেষ হয়ে যায়। র‍্যাগিংয়ের নামে সিনিয়ররা নতুনদের কান ধরে উঠবস করানো, রড দিয়ে পেটানো, পানিতে চুবানো, উঁচু ভবন থেকে লাফ দেয়া, সিগারেটের আগুনে ছ্যাঁকা দেয়া, গাছে উঠানো, ভবনের কার্নিশ দিয়ে হাঁটানো, এমনকি দিগম্বর করা পর্যন্ত করে।

এছাড়া গালিগালাজ করা, কুৎসা রটানো, নজরদারি করা এবং নিয়মিত খবরদারির মতো নানা ধরনের মানসিক নির্যাতন করা হয়। র‌্যাগিংয়ের সর্বশেষ শিকার বুয়েটের মেধাবী শিক্ষার্থী আববার ফাহাদ।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি