
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতার এখন কারাবন্দি।
রিমান্ডে তেমন একটা মুখ খোলেননি পুলিশের এই সাবেক কর্মকর্তা। দুই ছেলে-মেয়েরও হদিস দিতে চাননি প্রথমে। পিবিআইয়েরর তদন্ত কর্মকর্তাদের জেরায় বারবার একটি কথা বলেই এড়িয়ে গেছেন সব, ‘আপনারা যখন সবই জানেন, তো আমাকে জিজ্ঞেস করার কী আছে?’
তাই স্ত্রী মিতুকে কী কারণে হত্যা করলেন বাবুল? তা এখনও রহস্যের বেড়াজালেই আটকে আছে। যদিও পিবিআইয়ের দাবী, ভারতীয় নারী এনজিও কর্মকর্তা গায়েত্রী ওমর সিংয়ের সঙ্গে পরকিয়ায় জড়িয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটান বাবুল।
তবে এ বিষয়ে নিহত মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন দাবী করেছেন, নিজের কালো অধ্যায় প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে স্ত্রী মিতুকে হত্যা করেছেন বাবুল আকতার। কারণ তার অনৈতিক কর্মকাণ্ড জেনে গিয়ে প্রতিবাদ করেছিলেন মিতু।
মিতুর বাবার ভাষ্যে, জঙ্গি গ্রেফতার, জঙ্গি আস্তানা ও অস্ত্র উদ্ধার করে সারা দেশে প্রশংসিত হয়েছিলেন তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আকতার। যা তার ইমেজ ও পজিশনকে অনেক উপরে নিয়ে যায়। কিন্তু পরকীয়াজনিত ঘটনাটি তার স্ত্রীর মারফত প্রকাশ হয়ে যেতে পারে, সেই ভয়ে সর্বদা শঙ্কিত ছিলেন বাবুল। বিষয়টি ধামাচাপা দিতেই ভাড়াটে খুনি দ্বারা মিতুকে হত্যা করেন বাবুল।
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিতে বের হওয়ার পর চট্টগ্রাম শহরের জিইসি মোড়ে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় মিতুকে। তার স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আকতারের বিরুদ্ধে গত ১২ মে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন। সেই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সেদিনই বাবুলকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠান।
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]