৬ মে ২০২৬

পিরোজপুরে মানছে না স্বাস্থ্যবিধি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
পিরোজপুরে মানছে না স্বাস্থ্যবিধি
পিরোজপুর প্রতিনিধি : পিরোজপুরে করোনা ভাইরাসের প্রভাব খুব বেশি না থাকলেও সাধারণ মানুষ মেনে চলছে না স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী মাক্স পড়া। জেলার ৭টি উপজেলায় বাজার থেকে শুরু করে জনবহুল কোন এলাকাতেই কেউ তেমন পড়ছে না মাক্স। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাক্স পড়ার বিষয়ে প্রশাসনের যে রকম নজরদারীর তেমন নজরদারী নেই বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে। স্বাস্থ্যবিভাগের তথ্য অনুযায়ী পিরোজপুর জেলার সাতটি উপজেলায় মাত্র ২ শতাংশ মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রয়েছে। প্রথম পর্যায়ে জেলায় ৩৬ হাজার ডোজ করোনা টিকা প্রয়োগ করার কারনে শিথিল হয়ে পড়েছে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং মাক্স ব্যবহারের বিষয়টি। তবে অনেকেই মনে করছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাক্স পড়ার বিষয়ে প্রশাসনের নেই তেমন কোন নজরদারী ও কার্যক্রম। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে কিছুটা জরিমানা করলেও সাধারণ মানুষ মানছে না স্বাস্থ্যবিধি। জেলা স্বাস্থ্যবিভাগের মতে জেলায় করোনা টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৩৯ হাজার ১শত ১১ জন এবং টিকা প্রদান করা হয়েছে ২৮ হাজার ৯শত ৬৬ জনকে। এ পর্যন্ত জেলায় করোনা পরিক্ষা করা হয়েছে মাত্র ৬ হাজার ২শত ৫০ জনকে। এ পর্যন্ত ১২ শত ৬ জন রোগী করোনা পজেটিভ হলেও এদেও মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন ১১ শত ৫৯ জন রোগী এবং মারা গেছে ২৫ জন। বর্তমানে ১৫ জন রোগী হোম কোয়ারান্টেনে রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ করোনা টিকা প্রদানের উপরে গুরুত্ব দিলেও করোনা পরিক্ষার উপরে নেই তেমন গুরুত্ব। পিরোজপুর জেলা ব্যবসায়ী সমিতি সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা নকীব জানান, আমরা বিভিন্ন ভাবে বাজারে বিক্রেতাদের মাক্স ব্যবহারের জন্য নির্দেশ দিয়েছি। কিন্ত ক্রেতা ও বিক্রেতারা খুব বেশি স্বাস্থ্য সচেতন না ফলে অনেকেই মাক্স ব্যবহার করছে না তবে এ ব্যাপারে প্রশাসনের তেমন নজরদারী নেই। প্রশাসনের আরো নজরদারী বাড়ানো প্রয়োজন। পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো: সাজ্জাদ হোসেন জানান, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য বিভিন্ন ভাবে মানুষকে সচেতন করেছি। জেলায় খুব বেশি করোনার প্রকোভ না থাকায় মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানার ব্যাপারে একটু ঝিমিয়ে পড়েছে তবে মোবাইল কোর্ট এর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি