পানিতে ডুবেছে রাঙামাটির ঝুলন্ত সেতু, অনির্দিষ্টকালের জন্য পারাপার বন্ধ
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে পানি বাড়তে থাকায় শহরের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ ঝুলন্ত সেতু পানিতে ডুবে গেছে। ঝুঁকি এড়াতে শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল থেকে সেতুটি দিয়ে দর্শনার্থীদের চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
পর্যটন করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, চেঙ্গী, মাইনী ও কাচালং নদীর পানি এবং ভারতের মিজোরাম থেকে উৎপন্ন কর্ণফুলী নদীর পানি কাপ্তাই হ্রদে এসে মিশছে। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে কয়েক দিন ধরে হ্রদে পানির উচ্চতা বাড়ছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) হ্রদের পানি ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন স্পর্শ করে। উজান থেকে পানি আসা অব্যাহত থাকায় শনিবার সকাল পর্যন্ত সেতুটির প্রায় চার ইঞ্চি অংশ পানিতে ডুবে যায়।
রাঙামাটি পর্যটন করপোরেশনের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, হ্রদে পানি বাড়ার কারণে শনিবার সকালে ঝুলন্ত সেতুতে প্রায় চার ইঞ্চি পানি উঠে যায়। এতে ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য সেতু দিয়ে পারাপার বন্ধ রাখা হয়েছে।
তিনি জানান, পানি কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সেতুটি আবারও দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
এদিকে কাপ্তাই কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুর পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট এমএসএল (মিনস সি লেভেল)। হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিট চালু রয়েছে। এসব ইউনিট থেকে ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। কেন্দ্রটির সর্বোচ্চ উৎপাদনক্ষমতা ২৪২ মেগাওয়াট।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুতের ঘাটতি অনেকটাই কমবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
মক্কা চুক্তির বিষয়ে সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে সরকার: আইনমন্ত্রী
সঙ্গীত একাডেমি