৫ মে ২০২৬

পাকিস্তানকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন চমক

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
পাকিস্তানকে হারিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন চমক
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: পাকিস্তানকে হারিয়ে নতুন চমক দেখালেন যুক্তরাষ্ট্র। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বারের মতো ম্যাচ গড়িয়েছে সুপার ওভারে। নামিবিয়া-ওমান ম্যাচের পর এবার সুপার ওভারে গড়িয়েছে পাকিস্তান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ম্যাচ। যেখানে শেষ হাসি হেসেছে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র। পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে বিশ্বকাপ টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার রাতে ডালাসের গ্রান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাট করে বাবর-রিজওয়ানরা। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৯ রান তোলে পাকিস্তান। জবাব দিতে নেমে ২০ ওভারে ১৫৯ রানে থাম যুক্তরাষ্ট্র। ম্যাচ গড়ায় সুপার ওভারে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ব্যাটিংয়ে নামেন অ্যারন জোন্স এবং হারমিত সিং। বল করতে আসেন আমির। প্রথম বলেই চার মারেন জোন্স। দ্বিতীয় বলে দুই রান নেন আমেরিকার ব্যাটার। তৃতীয় বলে সিঙ্গেল নেন তিনি। পরেরটি ওয়াইড, দুটি রান যোগ হয়। আরও দুটি ওয়াইড দেন পাকিস্তানি পেসার। শেষ বলে রান আউট হন জোন্স। তাতে ১৯ রানের কঠিন টার্গেট দেয় স্বাগতিকরা। সে লক্ষ্য তাড়া করতে নামেন পাকিস্তানের ফখর জামান ও ইফতিখার আহমেদ। যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে বোলিংয়ে আসেন সৌরভ নেত্রাভালকার। প্রথম বল ডট দেন তিনি। দ্বিতীয় বলে ইফতিখার চার মারেন। পরেরটি ছিল ওয়াইড। তৃতীয় বৈধ বলে ইফতিখারকে দুর্দান্ত ক্যাচে ফেরান নিতিশ। পরেরটি ওয়াইড, তারপর বাই থেকে চার রান যোগ হয়। পঞ্চম বলে দুটি রান নেন শাদাব খান। শেষ বলে লাগে ৭ রান। ছক্কা মেরে আরেকটি সুপার ওভারে নিতে পারেননি পাকিস্তানি ব্যাটার। এতে সুপার ওভারে ১৩ রানের বেশি করতে পারেনি পাকিস্তান। এতে ইতিহাস গড়া জয় তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বাংলাদেশের বিপক্ষে নিজেদের আধিপত্যের জানান দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। পরের গল্পটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে। কানাডার বিপক্ষে ১৯৪ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে বিশ্বকে চমকে দেয় স্বাগতিকরা। এবার সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানের বিপক্ষেও বাজিমাত যুক্তরাষ্ট্রের। বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি