
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: অর্ডার দেয়ার ১৫ দিনের মধ্যে মিলারকে ডিলারের হাতে তেল পৌঁছাতে হবে। দিতে হবে দামসহ পাকা রশিদ। বুধবার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরে এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। কেউ যাতে কারসাজি করতে না পারে সেজন্য আগামীকাল বৃহস্পতিবার মিলগেটে অভিযান চালানো হবে।
দেশে বছরে ভোজ্যতেলের চাহিদা ২০ লাখ মেট্রিক টন। রমজান ছাড়া অন্য মাসগুলোর চাহিদা দেড় লাখ টনের নিচে।
বর্তমানে দেশের মিল, বাজার, ও সমুদ্র পথে আছে ৪ লাখ টনের বেশি তেল। তবে এ পরিসংখ্যান আর বাজারের তথ্য মিলছে না।
বাড়তি দামে দিশেহারা সাধারণ মানুষ। এ কৃত্রিম সংকটের পেছনে কার দায়, তা জানতেই ভোক্তা অধিকারের সভায় মুখোমুখি পরিবেশক ও মিল মালিকপক্ষ।
সভায় পাল্টাপাল্টি জবাবের একপর্যায়ে উঠে আসে মিলগেটে ট্রাকের জটলাকে জিম্মি করে বড় অংকের চাঁদাবাজির তথ্য।
সভায় জানানো হয়, আগামী মে মাস থেকে খোলা সয়াবিন এবং ডিসেম্বর থেকে খোলা পাম তেল বিক্রি বন্ধ হবে।
এদিকে মিলগেট থেকে গত তিন মাসের তেল সরবরাহের তথ্য ভোক্তা অধিকারে জমা দিয়েছে মিলাররা। যা খতিয়ে দেখা হবে সরেজমিনে।
ভোজ্যতেল পাচার হচ্ছে কিনা, বিজিবিকে তা নজরদারি করতে বলবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেই সাথে আমদানি পর্যায়ে ভ্যাট কমানোর আশ্বাস দেয়া হয় সভায়।
বিপি/আর এল
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]