অভিনেত্রী বরখা মদন কেন সবকিছু ছেড়ে সন্ন্যাসিনী হলেন
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: অনেকেই মনে করতেন ভবিষ্যতে তিনি হবেন বলিউডের একজন বড় অভিনেত্রী। তাকে তুলনা করা হতো সুস্মিতা সেন ও ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে। ১৯৯৪ সালে ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া অংশ নিয়েছিলেন তিনি। এই অভিনেত্রী নাম বরখা মদন।
১৯৭৪ সালে পাঞ্জাবে জন্ম নেয়া বরখা অভিনয় করেছেন হিন্দি ও পাঞ্জাবি সিনেমায়। প্রযোজনা করেছেন বেশ কয়েকটি সিনেমাও। কিন্তু সবকিছু ছেড়ে এখন বনে গেছেন সন্ন্যাসি।
শুরুটা হয়েছিল বিভিন্ন সুন্দরী প্রতিযোগিতা দিয়ে। এসব প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার পরেই নজর কাড়েন প্রযোজকদের। ১৯৯৬ সালে অক্ষয় কুমারের সঙ্গে হিন্দি সিনেমা ‘খিলাড়িও কা খিলাড়ি’ দিয়ে অভিষেক হয়। সিনেমায় বরখার অভিনয় প্রশংসিত হয় এবং আবেদনময়ী লুকের জন্য আলোচনায় আসেন।
পরে বরখাকে দেখা যায় ভারত-নেদারল্যান্ডসের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমা ‘ড্রাইভিং মিস পালমেন’-এ। ২০০৩ সালে রাম গোপাল ভার্মার ‘ভূত’ দিয়ে তার ক্যারিয়ার নতুন গতি পায়। কারণ, ছবিটি মুক্তির পরই বেশ সাড়া ফেলে। ছবিটিতে ভূতের চরিত্রে দেখা যায় বরখাকে।
পরে বরখা নিজের প্রযোজনা সংস্থা খোলেন। মূলত মূল ধারার বাণিজ্যিক সিনেমার বাইরে স্বাধীন ধারার নির্মাতাদের পাশে থাকতেই নিজে প্রযোজনা শুরু করেন বরখা। তার প্রযোজিত ‘সোচ লো’ ও ‘সারখাব’ প্রশংসিত হয়। সিনেমা ছাড়া টিভি সিরিয়ালেও দেখা গেছে বরখাকে। ক্যারিয়ারে ২০টির মতো টিভি সিরিয়াল করেছেন তিনি।
২০১২ সালে নিজের প্রযোজিত ‘সারখাব’ সিনেমায় সর্বশেষ দেখা যায় বরখাকে। এ সময়েই তিনি বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠেন, দালাই লামার একনিষ্ঠ ভক্ত বনে যান। এরপরই অভিনয় ছেড়ে বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনীর জীবন যাপন করছেন বরখা মদন। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে নিয়মিতই তার ‘নতুন জীবন’-এর ছবি ও ভিডিও পোস্ট করেন।
বিপি/টিআই
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি