৭ মে ২০২৬

ওয়ারেন্ট ছাড়াই খলিলকে গ্রেপ্তার করেছিল অভিবাসন পুলিশ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
ওয়ারেন্ট ছাড়াই খলিলকে গ্রেপ্তার করেছিল অভিবাসন পুলিশ
  নোমান সাবিত: অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগ (আইসিই) এজেন্টরা ওয়ারেন্ট ছাড়াই মাহমুদ খলিলকে গ্রেপ্তার করেছিল। তবে এটি আইনগতভাবে বৈধ ছিল বলে আদালতে দাবি করেছেন ট্রাম্প প্রশাসন। খলিলের আইনজীবীরা লুইজিয়ানার এক ইমিগ্রেশন বিচারকের কাছে মামলাটি বাতিলের আবেদন করেছেন। সেখানে তিনি কয়েক সপ্তাহ ধরে আটক রয়েছেন। তাদের দাবি আইসিই এজেন্টরা কোনও ওয়ারেন্ট ছাড়াই তাকে গ্রেপ্তার করেছেন, যা অবৈধ। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) বলেছে, কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ছাত্র এবং ফিলিস্তিনপন্থী অ্যাক্টিভিস্ট খালিলকে 'জরুরি পরিস্থিতির' কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ডিএইচএস-এর একজন আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, মার্চের শুরুতে নিউ ইয়র্কে আইসিই এজেন্টরা খলিলকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তারা আশঙ্কা করেন, ওয়ারেন্ট আনার আগেই তিনি পালিয়ে যেতে পারেন। তাই তারা ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করেন। অন্যদিকে, খলিলের আইনজীবীরা বলেছেন, গ্রেপ্তারের সময় তিনি কোনো ধরনের অসহযোগিতা করেননি, বরং পুরোপুরি সহযোগিতা করেছিলেন—এবং এ বিষয়ে যথাযথ প্রমাণ ও সাক্ষীর বয়ান রয়েছে। আইনজীবীর যুক্তি প্রমাণ নয় বলে তারা উল্লেখ করেন। খালিল একজন গ্রিন কার্ডধারী। প্রায় দুই মাস ধরে আটক রয়েছেন। গত বছর কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রো-প্যালেস্টাইন ক্যাম্পেইনের প্রধান আলোচক হিসেবে তার ভূমিকার কারণে তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক আদালতের নথিতে ফেডারেল এজেন্টরা দাবি করেন, গ্রেপ্তারের সময় খলিল তার গ্রিন কার্ড সঙ্গে রাখেননি। যা একটি ছোট অপরাধ। খলিলের স্ত্রী জানান, তিনি তাদের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে গ্রিন কার্ড আনতে গিয়েছিলেন এবং পরে তার গ্রেপ্তারের ভিডিও ধারণ করেন। নথিতে আরও বলা হয়, 'ওয়ারেন্টের প্রয়োজনীয়তা প্রযোজ্য ছিল এবং ৮ মার্চ এজেন্টরা বৈধ কর্তৃত্বের আওতায় খালিলকে গ্রেপ্তার করেন।' খলিলের মামলা এখন জাতীয়ভাবে আলোচিত হয়ে উঠেছে এবং অনেকেই এটিকে ট্রাম্প প্রশাসনের ফিলিস্তিনপন্থী ভিসাধারীদের আটক ও বহিষ্কারের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখছেন। খলিলের আইনজীবীরা সম্প্রতি আদালতে আবেদন করেছিলেন, যেন তিনি সাময়িকভাবে মুক্তি পান এবং প্রথম সন্তানের জন্ম প্রত্যক্ষ করতে পারেন। তবে সেই আবেদন নাকচ করে দেওয়া হয়েছে এবং তার স্ত্রী ইতোমধ্যে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। এই মাসের শুরুতে একজন বিচারক রায় দেন যে খলিলকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা যেতে পারে। তার আইনজীবীরা এখন সেই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করছেন এবং তার মুক্তির আবেদন করছেন ফেডারেল আদালতে। [বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।] বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি