২২ জুন ২০২৬

নিয়ম না মেনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কর্তন

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
নিয়ম না মেনে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কর্তন

বিপ্লব আহমেদ,ফরিদপুর থেকে: নিয়ম না মেনে অবৈধভাবে সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের গুনবহা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বনবিভাগের ছাড়পত্রের পাশাপাশি দরপত্র আহ্বান ছাড়াই ভবন নির্মাণের নামে বিদ্যালয়ের খেলার মাট থেকে ৫টি মেহগনি গাছ কর্তন করা হয়েছে। কর্তনকৃত গাছগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১লাখ ৫০ হাজার টাকা। রেজমিনে শুক্রবার (২১.০৬.১৯) বিকেলে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মাঠের উত্তরপাশের ২০ বছর বয়সী ৩টি বড় ও ১০/১২ বছর বয়াসী ২টি ছোট মেহগুনি গাছ কাটা হয়েছে। তার মধ্যে বড় দুটি গাছের আলাদা লক করে বিদ্যালয়ের মাঠে রাখা হয়েছে এবং বাকী গাছগুলি কেটে লক করার প্রস্তুতি চলছে।অবৈধভাবে গাছগুলি কাটা হয়েছে বলে এলাকাবাসি অভিযোগ করেন।

তবে গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতরা প্রভাবশালী হওয়ায় এ ব্যাপারে স্থানীয় লোকজন পত্রিকায় বক্তব্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। গাছ কাটার ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সোনালী আক্তার বলেন, আমি গত ১৭ জুন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেছি। স্কুলের গাছ কাটার বিষয়ে কিছু জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির সাথে যোগাযোগ করুন। স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মো. আকরাম হোসেন মোবাইল ফোনে বলেন, গাছগুলো ভবনের মধ্যে পরছে, তারা ক্যাটে উঠিয়ে ফেলে দিয়ে কাজ করছে। যেই কাটাক, তুমি লিখবা, পেপারে লিখবা ! কে গাছ কাটাচ্ছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বলেন, ওইটা তোমার কাছে কবো না। তুমি জেনে নাও, কে কাটাচ্ছে। যা পারো তাই করো। বোয়ালমারী উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ও সংশ্লিষ্ট স্কুলের সাব ক্লাস্টার সৈয়দ মোদাচ্ছের হোসেনকে স্কুলের গাছ কাটার ব্যাপারে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আছি, আপনার সাথে দুই মিনিট পর কথা বলবো বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি। উপজেলা চেয়ারম্যান এমএম মোশাররফ হোসেন দেশের বাইরে থাকায় স্কুলের গাছ কাটার বিষয়ে তাঁর বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি