৮ মে ২০২৬

নিউ ইয়র্কের কারাগারে হাতকড়া পরা বন্দিকে পিটিয়ে হত্যা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
নিউ ইয়র্কের কারাগারে হাতকড়া পরা বন্দিকে পিটিয়ে হত্যা
  নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে কারা কর্মকর্তারা হাতকড়া পরা এক বন্দিকে প্রচণ্ড মারধর করছেন, এমন একটা ভিডিও ফুটেজ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। ওই বন্দির নাম রবার্ট ব্রুকস। মারধরের পরদিন সকালে ৪৩ বছর বয়সী রবার্ট মারা যান। আগের দিন ৯ ডিসেম্বর নিউইয়র্কের মার্সি কারেকশনাল ফ্যাসিলিটিতে তাকে মারধর করা হয়েছিল। বিবিসি জানিয়েছে, বডিক্যামে ধারণ করা মারধরের ঘটনার একটি ভিডিও পরে ছড়িয়ে পড়ে। বডিক্যাম হলো শরীরে সংযুক্ত একটি ছোট আকারের ভিডিও ক্যামেরা। সাধারণত পুলিশ বা নিরাপত্তা কর্মকর্তারা কাউকে আটক করার সময় বা অপরাধস্থলের প্রমাণ রাখার কাজে এ ক্যামেরা ব্যবহার করেন। ওই ঘটনার পর নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হকুল ১৩ জন কারা কর্মকর্তা আর জড়িত একজন কারা নার্সকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লিটিটিয়া জেমসের দপ্তর। যদিও নিউ ইয়র্কের কারাগারকর্মীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন ভিডিওটিকে চিন্তার বাইরে বলে চিহ্নিত করেছে। গত শুক্রবার প্রকাশিত ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, রবার্ট চিকিৎসাকেন্দ্রে শারীরিক পরীক্ষার জন্য বিছানায় বসে আছেন। এ সময় তার মুখমণ্ডল ও কুঁচকিতে একের পর এক আঘাত করছেন কর্মকর্তারা। এতে আরও দেখা যায়, রবার্টকে আঘাত করার আগে একজন কর্মকর্তা তার মুখে কিছু একটা রাখছেন। আরেক কর্মকর্তা জুতা পায়ে তার পেটে ক্রমাগত আঘাত করছেন। মারধরের পরদিন মৃত্যু হয় রবার্টের। প্রাথমিক পরীক্ষায় শ্বাসকষ্টে তার মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়। তবে কারা কর্মকর্তারা ব্রুকসকে কেন মারধর করেছিলেন প্রাথমিকভাবে তা জানা যায়নি। এপি জানিয়েছে, হামলার একটি ঘটনায় জড়িত থাকায় ব্রুকস ১২ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন। বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি